Yogi Adityanath: যোগী আদিত্যনাথ আদর্শ অভিভাবকের মতো, বাবা-মায়ের জেলমুক্তির পর বললেন প্রাক্তন মন্ত্রীপুত্র
যোগী আদিত্যনাথ একজন আদর্শ অভিভাবকের মতো। তিনি রাজ্যের অভিভাবক হয়ে উঠেছেন অচিরেই। উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মন্ত্রী অমরমণি ত্রিপাঠীর সদ্য মুক্তিপ্রাপ্তির পর তাঁর ছেলে ঢালাও প্রশংসা করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর। কবি মধুমিতা শুক্লাকে হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত হয়েছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রী।
শুক্রবার সন্ধ্যায় কারাগার থেকে ছাড়া পান তাঁরা। সুপ্রিম কোর্ট তাদের অকাল মুক্তির নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ দিতে অস্বীকার করার পরই উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর দরাজ প্রশংসা শোনা যায় তাঁর মুখে। উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মন্ত্রী অমরনাথ ত্রিপাঠী ও তাঁর স্ত্রী মধুমণি ত্রিপাঠী জেল থেকে অকাল মুক্তির পর আমানমণি ত্রিপাঠী যোগী আদিত্যনাথের প্রশংসা করেন মন্ত্রী-পুত্র।

মন্ত্রী-পুত্র আমানমণি নির্দল বিধায়ক ছিলেন। তিনি মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে নিজেদের অভিভাবক বলে বর্ণনা করেন। তাঁকে রাজ্যের অভিভাবক এবং পারিবারিক অভিভাবক বলেও উল্লেখ করেন আমানমণি। তিনি বলেন, তাঁর নির্বাচনী এলাকার মানুষ তাঁরা বাবা-মায়ের মুক্তিতে আনন্দ উদযাপন করছেন।
জেলমুক্ত মন্ত্রী-পুত্র বলেন, ১৪ বছর বনবাসের পর ভগবান রামের অয়োধ্যায় প্রত্যাবর্তন যেমন আলোর উৎসব হিসেবে উদযাপিত হয়, মহারাজগঞ্জ জেলার নওতানওয়াতও একইরকম পরিবেশ বিরাজ করছে। ত্রিপাঠী পরিবার ফেরার পরে আবার আলোকমালায় সেজে উঠেছে নওতানওয়াতের সংশ্লিষ্ট এলাকা।
আর এসব সম্ভব হয়েছে আমাদের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের জন্য। মুখ্যমন্ত্রী আমাদের অভিভাবক এবং পথ প্রদর্শক। তাঁর সঙ্গে দেখা করে আশীর্বাদ নিতে চাই। উত্তরপ্রদেশের কারাগার বিভাগ তাঁদের পরিবারের অকাল মুক্তির আদেশ জারি করার একদিন পরে এই কথা বলেন মন্ত্রী-পুত্র।
রাজ্যের ২০১৮ শাস্তি মকুব আইনের উল্লেখ করে বলা হয়, যেহেতু দম্পতি ১৬ বছরের কারাদণ্ড পূর্ণ করেছেন, তারপর দম্পতি বৃদ্ধ। কারাগারে ভালো আচরণও করেন তাঁরা। তাই উত্তরপ্রদেশের কারা দফতর তাঁদের মুক্তির আবেদন করেন। বৃদ্দ দম্পতি ও তাঁদের ছেলেও মুক্ত হন যাবজ্জীবন জেলের সাজা থেকে।
অমরনাথ ত্রিপাঠী রাজ্য বিধানসভায় চারবার নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০১ সালে ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার এবং ২০০২ সালে বহুজন সমাজ পার্টির সরকারে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। কবি হত্যার অভিযোগে ত্রিপাঠী দম্পতিকে গ্রেফতার করা হয় ২০০৩ সালে।
২০০৩ সালে অন্তঃসত্ত্বা কবি মধুমিতা শুক্লাকে লখনউয়ের পেপার মিল কলোনিতে গুলি করে হত্যা করা হয়। সিবিআই তদন্তে মন্ত্রী ও তাঁর স্ত্রী গ্রেফতার হন। দেরাদুল আগাবত ২০০৭ সালের অক্টোবরে এই হত্যাকাণ্ডে তাঁদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন। পরে নৈনিতাল হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট দম্পতির সাজা বহাল রাখে।












Click it and Unblock the Notifications