করোনার ভয় কমলেও চওড়া হচ্ছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের থাবা, জীবনদায়ী ইঞ্জেকশনের ঘাটতিতেই বাড়ছে সঙ্কট
করোনার ভয় কমলেও চওড়া হচ্ছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের থাবা, জীবনদায়ী ইঞ্জেকশনের ঘাটতিতেই বাড়ছে সঙ্কট
ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের প্রাদুর্ভাবকে আগেই মহামারি বলে ঘোষণা করেছে একাধিক রাজ্য। তালিকায় রয়েছে রাজস্থানও। এবার সেই রাজস্থানেই ক্রমেই চওড়া হচ্ছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের থাবা। এদিকে গত মাস থেকেই রাজস্থানের গ্রামীণ এলাকার পাশাপাশি শহরাঞ্চলেও অনেকটাই বেড়েছে কালো ছত্রাকের প্রকোপ। এদিকে গোটা রাজ্যে বর্তমানে ৩০টিরও বেশি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে এই রোগের চিকিৎসা চলছে বলে জানা যাচ্ছে।

এদিকে এই রোগের চিকিৎসায় এখনও পর্যন্ত অ্যান্টি-ফাঙ্গাল ওষুধ লাইপোসোমাল অ্যামফোটারিকিন বি-কেই সর্বাধিক নির্ভরযোগ্য বলে মনে করা হচ্ছে। এবার অন্যান্য রাজ্যের পাশাপাশি রাজস্থানেও বড়সড় ঘাটতি দেখা গিয়েছে এই ওষুধের। সঙ্কটকালের সুযোগ নিয়ে ইতিমধ্যেই অনেক অসাধু ব্যবসায়ী কালোবাজারীও শুরু করে দিয়েছেন বলে শোনা যাচ্ছে। একইসঙ্গে লাইপোসোমাল অ্যাম্ফোটেরিসিন-বি ইঞ্জেকশনের চাহিদাও আগের থেকে কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
এদিকে রাজস্থান মেডিকেল সার্ভিসেস কর্পোরেশন লিমিটেডের (আরএমএসসিএল) তথ্যানুসারে, শনিবার পর্যন্ত রাজস্থানে কালো ছাত্রাকে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা ২ হাজার ৬৫১ জন। যদিও এর মধ্যে ৩০০-র বেশি সন্দেহজনক রোগীও রয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। অন্যদিকে চিকিৎসা চলছে ২ হাজার ৩৭৯ জন রোগীর। যার ফলে একাধিক হাসপাতালে উপচে পড়ছে রোগীর সংখ্যা। ঘাটতি দেখা যাচ্ছে বেডের।
এদিকে রাজস্থানে এখনও পর্যন্ত ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত ১৫৭ জন রোগী সেড়ে উঠেছেন বলে জানা যাচ্ছে। মারা গিয়েছেন ৮০ জন। তবে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে একটা বড় অংশ দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেছেন বলে জানা যাচ্ছে। এছড়াও শরীরে বাসা বাঁধছে একাধিক জটিল রোগ। এদিকে সর্বাধিক রোগী ভর্তি রয়েছেন কোটা ও জয়পুরেই। যদিও এই দুই জেলাতেও অ্যাম্ফোটেরিসিন-বি ইঞ্জেকশন নিয়ে হাহাকার শুরু হয়েছে বলে খবর।












Click it and Unblock the Notifications