ধর্ষিতা ২৬ হাজারের বেশি মহিলা, খুন ৪ হাজার! নারী নির্যাতনে যোগী রাজ্যকে জোর টক্কর এই রাজ্যের
ধর্ষিতা ২৬ হাজারের বেশি মহিলা, খুন ৪ হাজার! নারী নির্যাতনে যোগী রাজ্যকে জোর টক্কর এই রাজ্যের
নারী নির্যাতন হোক বা খুন-জখম-রাহাজানি, দেশের সর্বাধিক অপরাধ প্রবণ রাজ্যের মধ্যে শীর্ষ স্থানে ছিল উত্তরপ্রদেশ। এবার যোগী রাজ্যেও এই অপরাধের নিরিখে জোর টক্কর দিচ্ছে বিজেপি শাসিত মধ্যপ্রদেশ। এমনকী সবথেকে বেশি প্রশ্নের মুখে পড়েছে মধ্যপ্রদেশের নারী স্বাধীনতা। গত সাড়ে চার বছরে রাজ্যে ৪ হাজার নারী ধর্ষিতা হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। ২০১৭ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত পুলিশি রেকর্ড থেকে এই তথ্য জানা যাচ্ছে।

খুন হয়েছেন আড়াই হাজারের বেশি নারী
অন্যদিকে একইসময়ে ২ হাজার ৬৬৩ জন নারীকে হত্যা করা হয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে। তারমধ্যে ৩৭ জনকে গণধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। অন্যদিকে একই সময়ের মধ্যে ২৭ হাজার ৮২৭ জন নাবালিকাকে অপহরণ করা হয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে। পাশাপাশি অপহৃত হয়েছেন ৮৫৪ জন সাবালিকাও। সোমবার গভীর উদ্বেগের সঙ্গে এই তথ্য প্রকাশ করেন মধ্যপ্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নরোত্তম মিশ্র।

কি তথ্য পেশ করছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী
বিরোধী নেতা তথা কংগ্রেস বিধায়ক জিতু পাটোয়ারীর প্রশ্নের উত্তরে সম্প্রতি বিধানসভায় এই তথ্য পেশ করেন তিনি। অন্যদিকে স্বারাষ্ট্র মন্ত্রীর পেশ করা তথ্যেই জানা যাচ্ছে সবথেকে বেশি খুনের ঘটনা ঘটেছে গত বছর। ২০২০ সালে খুন হয়েছেন মোট ৬৩৩ জন মহিলা। অন্যদিকে ২০১৭ সালে ৫৪৯ টি খুনের ঘটনার রেকর্ড রয়েছে সরকারের কাছে। পাশাপাশি ২০১৮ সালে সংখ্যাটা ৫৮৩, ২০১৯ সালে সংখ্যাটা ৫৭৭। অন্যদিকে চলতি বছরে জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত গোটা রাজ্যে ৩২১টি খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যাচ্ছে।

সোমবার থেকে শুরু বাদল অধিবেশন
এদিকে চলতি বছরে মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার বাদল অধিবেশন শুরু হয়েছে সোমবার থেকে। যদিও কার্যক্রম শুরু হলেও শুরুতেই করোনায় ও দান্তেওয়ারায় নকশাল হানায় মৃত বিধায়কদের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হয় সরকারের তরফে। এদিকে বর্তমান সময়ে গোটা ভারতেই নারী নির্যাতনের পরিমাণ উত্তরোত্তর বেড়েই চলেছে। ধর্ষণ, হত্যা, অপহরণ সহ নারী নির্যাতনের ঘটনা প্রতিদিনই বেড়ে চলেছে। যা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে গোটা দেশেই।

অপরাধে রাশ টানতে সক্রিয়তা বাড়িয়েছে মহিলা কমিশন
অন্যদিকে দেশব্যাপী অপরাধ প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় আগের থেকে সক্রিয়তাও বাড়িয়েছে জাতীয় মহিলা কমিশন। নারী নির্যাতন ও যৌন হয়রানির ক্ষেত্রে তারা বর্তমানে একটি সর্বক্ষণের হেল্পলাইন নম্বরও চালু করেছে। গত ২৭ জুলাই কেন্দ্রীয় মহিলা ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি ও মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন মিসেস রেখা শর্মার হাত ধরেই এই নয়া ডিজিটাল হেল্পলাইনি চালু হয়। যদিও তারপরেও মহিলাদের উপর অপরাধের ঘটনায় কতটা রাশ টানা যাবে সেই প্রশ্ন থেকেই যায়।












Click it and Unblock the Notifications