মনে আছে ‘তারে জমিন পর’-এর ‘ক্যামিও’কে? গুরু দত্তের বোন ললিতা লাজমির জীবনাবসান
প্রবীণ চিত্রশিল্পী ললিতা লাজমিকে নিশ্চয়ই মনে রেখেছেন তাঁর কীর্তির জন্য। চিত্রশিল্পী ছাড়াও গুরু দত্তের বোন ললিতা লাজমি তারে জমিন পর সিনেমায় একটি গুরুত্বপূর্ণ রোল প্লে করেছিলেন।
কিংবদন্তি অভিনেতা গুরু দত্তের বোন ললিতা লাজমির জীবনাবসান হল। তিনি একজন সুপরিচিত চিত্রশিল্পী ছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। মহান শিল্পীর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন গোটা ইন্ডাস্ট্রি, তাঁক অনুরাগীরাও গভীর শোকপ্রকাশ করেন গুণী শিল্পীর প্রয়াণে।
প্রবীণ চিত্রশিল্পী ললিতা লাজমিকে নিশ্চয়ই মনে রেখেছেন তাঁর কীর্তির জন্য। চিত্রশিল্পী ছাড়াও গুরু দত্তের বোন ললিতা লাজমি তারে জমিন পর সিনেমায় একটি গুরুত্বপূর্ণ রোল প্লে করেছিলেন। একটি ক্যামিও চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। অতিথি চরিত্রে তিনি নজর কেড়ে নিয়েছিলেন। সোমবার তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

ভারতীয় চলচ্চিত্রে পরিচালক ও অভিনেতা হিসেবে কিংবদন্তি হয়ে ওঠা গুরু দত্তের বোন ছিলেন ললিতাদেবী। তিনি ২০০৭ সালের আমির খান অভিনীত 'তারে জমিন পর' ছবিতে ক্যামিও চরিত্রে অভিনয় করেন। যে ছবিতে সুপারস্টার একজন আর্টি টিচারের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন।
জাহাঙ্গীর নিকলসন আর্ট ফাউন্ডেশনের তরফে বিশিষ্ট শিল্পী ললিতা লাজমির প্রয়াণের খবরটি শেয়ার করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। ললিতা লাজমি তাঁর সৃষ্টির মধ্যেই বেঁচে থাকবেন। ললিতা লাজমির একটি পুরানো ছবি শেয়ার করে জাহাঙ্গীর নিকলসন আর্ট ফাউন্ডেশন ক্যাপশনে লিখেছে, "শিল্পী ললিতা লাজমির মৃত্যু সংবাদে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।
জাহাঙ্গীর নিকলসন আর্ট ফাউন্ডেশনের ওই টুইটারে আরও লেখা হয়েছে, ললিতা লাজমি একজন স্বশিক্ষিত শিল্পী ছিলেন। তাঁর শাস্ত্রীয় নৃত্যের প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল। তাঁর কাজের মধ্যেই তা ফুটে উঠেছে। তিনি যে কত বড়মাপের শিল্পী ছিলেন তা দেখিয়ে দিয়েছেন ললিতা লাজমি।
ললিতা লাজমির কাজগুলি দেখলেই বোঝা যায়, তাঁর শিল্পসৃষ্টির মধ্যেই ব্যক্তিগত জীবন ও তাঁর পর্যবেক্ষণের ছাপ রয়েছে। তিনি জীবন থেকে অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন। তারপর তা ফুটিয়ে তুলেছিলেন তার শিল্পকর্মে। তাঁর পরবর্তী কাজগুলি পুরুষ এবং মহিলার মধ্যে লুকানো উত্তেজনাকে প্রতিফলিত করেছিল। তাঁর অনন্য ভাবনা, অনন্য কাজগুলি ভারতীয় চলচ্চিত্রকে অন্য খাতে বইয়ে দিয়েছিল।
তাঁর চিত্রকর্ম বারবার প্রতিফলিত হয়েছে তাঁর দাদা গুরু দত্ত, সত্যজিৎ রায় এবং রাজ কাপুরের দ্বারা নির্মিত বিভিন্ন ছবিতে। তিনি হয়ে উঠেছেন এক অমর সৃষ্টির কারিগর। এই বিরাট মাপের এক শিল্পীর জীবনাবসান হল। তাঁর জন্ম হয়েছিল ১৯৩২ সালে। তিনি যেমন গুরু দত্তের বোন ছিলেন, ছিলেন কবিতা লাজমির মা
ললিতা লাজমির মৃত্যু সংবাদে গভীরভাবে শোকাহত শিল্পী সমাজ। লাজমি শাস্ত্রীয় নৃত্যের প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল। একজন স্বশিক্ষিত শিল্পী ছিলেন তিনি। তার কাজের মধ্যে বিষণ্ণতা এবং পারফরম্যান্সের উপাদান ছিল। তাঁর 'জীবন ও মৃত্যুর নৃত্য' আজও অনন্য সৃষ্টি হয়ে আছে।












Click it and Unblock the Notifications