বারাণসীতে যে ধাবায় নমো রুটি বিক্রি হতো সেখানে তালা ঝোলাল পুলিশ

বারাণসীতে বিজেপির বিক্ষোভের একদিনের মধ্যেই এই পদক্ষেপ নেয় পুলিশ। এদিন গঙ্গা আরতি এবং জনসভার জন্য অনুমতি না পেয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে বসেন বিজেপি নেতৃত্ব। কিন্তু বিক্ষোভের পর সন্ধ্যাবেলায় যখন গাড়ি করে দলীয় কার্যালয়ের দিকে যাচ্ছিলেন তখন জনপ্লাবনে ভরে য়ায় রাস্তা.
এবারের নির্বাচন মোদী তথা বিজেপির যে ঝড় বইছে তা সত্যিই নজিরবিহীন। এহেন অবস্থায় এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়াহর জন্য বিতর্কের মুখে পড়তে পারেন প্রশাসনিক কর্তারা। এই ঘটনায় জনপ্রিয় মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে জনমত তৈরি হয়। মোদী সমর্থকদের একাংশ উত্তরপ্রদেশের শাসকদল সমাজবাদী পার্টির দিকেই আঙুল তুলেছেন। এই ঘটনাকে লজ্জাজনক বলেও মন্তব্য করেছেন।
(আরও পড়ুন : বারাণসীর ধাবা জমাচ্ছে সুস্বাদু 'নমো রুটি')
নমো সামগ্রী এবারের নির্বাচের 'হট কেক'। বিজেপি সমর্থকরা বিপুল পরিমানে এই সব সামগ্রীর জন্য দোকানে আগামা জানিয়ে রাখছেন। নমো সামগ্রী চোখের নিমেশে বিকোচ্ছেও। আর এই সুযোগে কিছুটা বাড়তি আয় হচ্ছিল এই নমো পণ্য বিক্রেতাদের।
নমো রুটির ক্ষেত্রে এটা কিন্তু বিজেপি পরিচালিত কোনও ভোটপ্রচার ছিল না। বরং ধাবাওয়ালারা নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগাচ্ছিলেন অতিরিক্ত আয়ের জন্য। কিন্তু তাতে প্রথম আপত্তি তোলে কংগ্রেস দল। বিজেপির প্রচার বলে চেঁচামিচি শুরু করে কংগ্রেস। যদিও বিজেপির তরফে কোনও আমল না দিয়েই বলা হয়, যদি সাধারণ ধাবাওয়ালারা ভালোবেসে এই রুটি বানান, তাতে তো দলের করণীয় কিছু নেই। এর সঙ্গে বিজেপি কোনওভাবে যুক্ত নয়।
আপের তরফেও নিজেদের দলের ছাপ বা স্লোগানযুক্ত বেশ কিছু ধরণের পণ্য বাজারে ছাড়ে, যেমন টুপি, টি-শার্ট এবং ঝাঁটা। তার পাল্টা জবাবে মোদী শিবিরের সমর্থকরা নিয়ে আসে নমো রুটি। আর তা একেবারে বাজারে ছেয়ে যায়। জনসভায় সাধারণত তা দেদার বিকোচ্ছিল, আর বিজেপি-র জনসভা থাকলে তো কথাই নেই। 'নমো রুটি' জোগাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছিল ধাবাওয়ালারা।
কিন্তু শুক্রবার উত্তরপ্রদেশ পুলিশের এই পদক্ষেপ বিষয়টিকে আরও ধুনো দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications