আন্দোলনরত কৃষকদের গুন্ডা বলে বিপাকে কেন্দ্রী মন্ত্রী, দেশজোড়া বিতর্কের মুখে পড়ে চাইলেন ক্ষমা
আন্দোলনরত কৃষকদের গুন্ডা বলে বিপাকে কেন্দ্রী মন্ত্রী, দেশজোড়া বিতর্কের মুখে পড়ে চাইলেন ক্ষমা
একদিকে যখন পেগাসাস কাণ্ডে ঘরে বাইরে জর্জরিত কেন্দ্র সরকার, তখন বাদল অধিবেশনকে পাখির চোখ করে ইতিমধ্যেই আন্দোলনের তীব্র বাড়িয়েছে দিল্লির আন্দোলনরত কৃষকেরা। যতদিন বাদল অধিবেশন চলবে ততদিনই নয়া কৃষি আইনের প্রতিবাদে যন্তর-মন্তরের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ চলবে বলেও জানা যাচ্ছে। গতকালই ছিল এই কর্মসূচীর প্রথমদিন। এদিকে কৃষকদের আন্দোলন নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে নতুন করে বিপাকে পড়লেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মীনাক্ষী লেখি।

এদিকে আন্দোলনকে নতুন আঙ্গিক দিতে গতকাল থেকেই সংসদ ভবনের বাইরে যন্তর-মন্তর চত্বরে বসছে কিষান পার্লামেন্টও। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গতকালই আন্দোলনরত কৃষকদের 'মাওয়ালি’ বলে বিতর্কের জন্ম দেন এই বিজেপি নেত্রী। এমনকী তাদের আন্দোলনকেও কটাক্ষ করে তিনি বলেন, "ওঁরা কৃষক নন, ওরা গুন্ডা। ২৬ জানুয়ারি ওরা যে কাজ করেছে তা লজ্জাজনক ও অপরাধমূলক।" এমনকী এই কাজে ইন্ধন জোগানোর জন্য বিরোধীদেরও কাঠগড়ায় তোলেন তিনি।
এদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরেই নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয় রাজনৈতিক মহলে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, প্রজাতন্ত্র দিবসে কৃষকদের লালকেল্লা অভিযানকে ঘিরে উত্তাল হয়ে ওঠে দিল্লির রাজনৈতিক মহল। এমনকী পুলিশি বেড়াজাল ভেঙে লালকেল্লায় ঢুকে পড়ায় কৃষকদের 'সন্ত্রাসবাদীও’ তকমা দিতে দেখা যায় সরকার পক্ষের একাধিক রাজনীতিককে। যা নিয়ে দফায় দফায় বিতর্ক সৃষ্টি হয় রাজধানীতে।
এদিকে কৃষকদের গুন্ডা বলার পর দেশব্যাপী ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন মীনাক্ষী লেখি। সোশ্যাল মিডিয়াতেও তার মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করতে দেখা যায় নেটিজেনদের। আর তারপরেই চাপের মুখে পড়ে সুর বদলান তিনি। এমনকী তাঁর মন্তব্যের অপব্যাখ্যা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এমনকী তাঁর আগের কথায় কেউ আঘাত পেয়ে থাকলে তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications