গোয়ায় পড়েছে মমতার পোস্টার, তৃণমূলের পথে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, বিরোধী ঐক্য কি শেষ পর্যন্ত ঠান্ডা ঘরে
গোয়ায় পড়েছে মমতার পোস্টার, তৃণমূলের পথে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, বিরোধী ঐক্য কি শেষ পর্যন্ত ঠান্ডা ঘরে
প্রথমে সুস্মিতা দেব। তারপরেই আবার গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। ধাপে ধাপে কংগ্রেস ভাঙছে। তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান বাড়ছে কংগ্রেস থেকে। একে একে হেভিওয়েট নেতা যোগ দিতে চলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসে। তাতেই প্রভাব পড়তে পারে বিরোধী ঐক্যে এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ২০২৪-র ভোটের আগে বিরোধী ঐক্যের জন্য তৎপর হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিল্লিতে ছুটে গিয়ে একাধিক অবিজেপি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন তিনি। কিন্তু তারপরেই সুস্মিতা দেব যোগ দেন তৃণমূল কংগ্রেসে। এবার আবার শোনা যাচ্ছে গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী যোগ দিতে চলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসে। তারপরেই জল্পনা শুরু হয়েছে তাহলে কী বিরোধী ঐক্য ঠান্ডা ঘরে চলে যাবে।

গোয়া টার্গেট তৃণমূলের
গোয়ায় পা রাখতে শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর গোয়ায় পা রাখতেই কংগ্রেসে ভাঙন শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রশান্ত কিশোর এবং প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় গোয়ায় যাওয়ার পরেই বেসুরো হয়ে ওঠেন গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। কংগ্রেস ছাড়েন তিনি। সোনিয়া গান্ধীকে চিঠি লিখে তিনি জানিয়ে দেন দলে আর থাকতে চাননা। গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর কংগ্রেস ছাড়ার পরেই তাঁর তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদানের জল্পনা পারদ চড়েছে। শোনা যাচ্ছে। আজই তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিতে পারেন। ইতিমধ্যেই আবার শোনা যাচ্ছে কংগ্রেসের আরও ১২ জন নেতা তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন। তারপরেই গোয়ায় তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোস্টার ব্যানার দেখা গিয়েছে।

সুস্মিতা দেব তৃণমূলে
দিল্লি থেকে মমতার সফরের পরেই অসমে কংগ্রেসে মহাপতন ঘটে। অসমের দাপুটে নেত্রী সুস্মিতা দেব যোগ দেন তৃণমূল কংগ্রেসে। উত্তর-পূর্বে কংগ্রেসের সংগঠনে বড় ধাক্কা দিয়েছে সুস্মিতা দেবের তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়া। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন সুস্মিতা দেব। তাঁকেই ত্রিপুরার দায়িত্ব দিয়েছে দল। উত্তর-পূর্বের রাজনীতিতে সুস্মিতা দেবের দক্ষতার উপর নির্ভর করেই ত্রিপুরায় সংগঠন সাজাতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। আরও একাধিক কংগ্রেস নেতা তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে।

ক্ষুব্ধ অধীর
শুধু উত্তর-পূর্ব নয় বঙ্গেও কংগ্রেসের অন্দরে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। ভবানীপুরে মমতার বিরুদ্ধে প্রার্থী না দেওয়া নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। প্রকাশ্যেই তিনি জানিয়েছেন সোনিয়া গান্ধীই চেয়েছিলেন ভবানীপুরে যেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী দেওয়া না হয়। তিনি হাইকমান্ডের নির্দেশ পালন করেছেন মাত্র। অধীরের গলাতে এই নিয়ে ক্ষোভের সুর শোনা গিয়েছে।একুশের ভোটে বাংলা থেকে যাকে বলে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে কংগ্রেস। এদিকে আবার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি দাবি করেছেন বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেকারণেই একে একে কংগ্রেসের ঘর ভাঙছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী।

বিরোধী ঐক্যে ফাটল
একের পর এক নেতার কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান ঘিরে জাতীয় রাজনীতির মঞ্চে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। যে বিরোধী ঐক্যের বার্তা নিয়ে একুশের ভোটের পরেই দিল্লিতে গিয়েছিলেন মমতা সেটা কতটা সফল হবে তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। কারণ এই বিরোধী ঐক্যের জন্য সোনিয়ার সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আবার শরদ পাওয়ারের সঙ্গেও ফোনে কথা বলেছিলেন তিনি। কিন্তু একের পর এক কংগ্রেস নেতার তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান ঘিরে কংগ্রেস কিন্তু যথেষ্ট অসন্তুষ্ট। কাজেই বিরোধী ঐক্যের পরিকল্পনা ফের ঠান্ডা ঘরে চলে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নিতে পারেন এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ার।












Click it and Unblock the Notifications