শ্বেতা বসুর ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখাল বলিউড কতটা দুমুখো

পর্দায় সুন্দরী ললনারা স্বল্পবসনে নাচছে, উত্তেজক ভাবভঙ্গিতে যৌন আবেদন জানাচ্ছেন সে সব দৃশ্যে আমাদের আপত্তি নেই। কিন্তু যখন এক অভিনেত্রী প্রতিভা থাকা সত্ত্বেও কাজের অভাবে জীবন সংঘর্ষে টিকে থাকার জন্য পতিতাবৃত্তির পথ অবলম্বন করেন তখন তিনি হঠাৎ করেই ঘৃণ্য হয়ে ওঠেন সবার নজরে। অথচ নীলছবির তারকা অভিনয় না জানলেও তাঁর বাঁধভাঙা জনপ্রিয়তা বুঝিয়ে দেয় ভণ্ডামি যেন আমাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে।
আরও পড়ুন : (ছবি) দেহ ব্যবসার অভিযোগে গ্রেফতার 'কাহানি ঘর ঘর কি'-র ছোট্ট 'শ্রুতি'
আরও পড়ুন : 'কেউ আমার সমস্যাটা বুঝবে না', আক্ষেপ ধৃত অভিনেত্রী শ্বেতা বসুর
আরও পড়ুন : দেহ ব্যবসার দায়ে গ্রেফতারের পর কী হল অভিনেত্রী শ্বেতা বসুর?
আরও পড়ুন : সরকারি হোমে অন্যদের মনোরঞ্জন করছেন দেহব্যবসায় ধৃত অভিনেত্রী শ্বেতা
শ্বেতার ক্ষেত্রে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন যে এমন কী অভাব যার জন্য দেহব্যবসায় নামতে হল তাকে? সুস্থ-স্বাভাবিক পথে টাকা রোজগাররে অন্য কোনও পথ পেলেন না তিনি? কেউ বলছেন অভাব শুধুই অজুহাত যে মেয়ে এক রাতের ১ লক্ষ টাকা পায় তার আবার অভাব কী? জীবন চালাতে কত টাকাই লাগে? সঙ্গত প্রশ্ন। কিন্তু সঙ্গে উঠছে আরও একটি প্রশ্ন? কোনও মেয়ে কী স্বেচ্ছায় এপথে নামার কথা ভাবেন? অজানা পুরুষের হাতে শোষিত হওয়ার জন্য কোনও মেয়ে কী নিজের এই আগুনে ঝাঁপ দিতে চাইবে? উত্তর অবশ্য তর্ক সাপেক্ষ।
তবে এটাও ঠিক শ্বেতা টেলিভিশন জগত থেকে উঠে এসেছেন। বলিউডেও ইকবালের মতো ছবিতে অভিনয় করেছেন। কিন্তু তাঁর জন্য সেভাবে তো আওয়াজ তুললেন না কোনও 'তারকা' অভিনেতা। এমনকী 'মর্দানি' রানি মুখোপাধ্যায়ও শ্বেতার জন্য সুর চড়ানো তো দুরঅস্ত, তার প্রসঙ্গে কথা বলতেই অস্বীকার করে দিলেন। কিছু বলে হয়তো তিনি 'ঝামেলায়' জড়াতে চাইলেন না। টেলিভিশন জগতের অভিনেতারাও কেমন যেন একটা মৌনব্রত ধারণ করলেন। শুধু শ্বেতার সমর্থনে আওয়াজ তুললেন তাঁর অনস্ক্রিন মা সাক্ষী।
জানা নেই শ্বেতা কী এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে পারবেন। যে সব পরিচালকরা তাকে কাজের সুযোগ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তাঁরা আগামীদিনেও তাঁদের প্রতিশ্রুতি মনে রাখতে পারবেন তো? নাকি তখনও সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে। আবারও কাজের অভাবে বা অন্য়কোনও সমস্যায় শ্বেতাকে ফিরে যেতে হবে আবার সেই অন্ধকার জগতে। আবার ভুলে যাব আমরা শ্বেতা বসু প্রসাদকে।












Click it and Unblock the Notifications