পুলিশের কাজ নয় নীতি শিক্ষা দেওয়া, মধ্যরাতে দম্পতিকে হেনস্থার মামলায় পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের
পুলিশের কাজ নয় নীতি শিক্ষা দেওয়া, মধ্যরাতে দম্পতিকে হেনস্থার মামলায় পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের
পুলিশের কাজ নয় নীতি শিক্ষা দেওয়া বা মোরাল পুলিশিং করা। মঙ্গলবার একটি মামলার প্রেক্ষিতে এমনই বলেছে সুপ্রিম কোর্ট। এক সিআইএসএফ পুলিশ অফিসার মধ্যরাতে এক দম্পতিকে হেনস্থা করেছিলেন। তাই নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন দম্পতি। সেই মামলায় গুজরাত হাইকোর্ট অভিযুক্ত সিআইএসএফ অফিসারকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দেয়। গুজরাত হাইকোর্টের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল সিআইএসএফ।

মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে। বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি জেকে মাহেশ্বরীর বেঞ্চ এই মামলার পর্যবেক্ষণে গুজরাত হাইকোর্টের রায়কেই বহাল রেখেছে। মামলার তথ্য প্রমাণ খতিয়ে দেখে এবং অভিযোগকারীদের বয়ান খতিয়ে দেখে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, পুলিশ অফিসারের কাজ নয় নীতি পুলিশ হওয়া।
ঘটনাটি ঘটেছিল ২০০১ সালে। গুজরাতের ভদোদরায় আইপিসিএল টাউনশিপে নাইট ডিউটি করছিলেন সিআইএসএফের কনস্টেবল সন্তোষ কুমার। রাত ১টা নাগাদ তিনি দেখতে পান তাঁর এক সহকর্মী বান্ধবীকে সঙ্গে নিয়ে ফিরছেন। রাতে গরবা অনুষ্ঠান দেখে ফিরছিলেন তাঁরা। তাঁদের পথ আটকান সন্তোষ কুমার। এবং তাঁর বান্ধবীর সঙ্গে সময় কাটাতে চান বলে প্রস্তাব দেন। এবং তাঁদের গরবা অনুষ্ঠানে ঢুকতে দেওয়ার জন্য জিনিস দাবি করেন। শেষে একটি ঘড়ি অভিযুক্ত কনস্টেবলকে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন তাঁর সহকর্মী।
তারপরেই তাঁর বিরুদ্ধে সংশ্লীষ্ট দফতরে অভিযোগ দায়ের করেন তাঁর সহকর্মী। বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয় সন্তোষ কুমারের বিরুদ্ধে। তারপরেই দোষ প্রমাণে তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়। তদন্তের সময় অভিযুক্ত কনস্টেবলের বিরুদ্ধে বয়ান দিয়েছিলেন তাঁর সহকর্মীর বান্ধবীও। তিনি জানিয়েছিলেন তাঁর বন্ধুর সঙ্গে তাঁর সহকর্মীর কোনও কথোপকথোন তিনি শুনতে পাননি তবে তাঁকে একটি ঘড়ি দিতে দেখেছিলেন। সন্তোষ কুমার বহিষ্কারের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে গুজরাত হাইকোর্টে আর্জি জানিয়েছিলেন। সেখানেও ধোপে কেটেনি তাঁর আর্জি। তারপরে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications