RG Kar Hospital: কাঠগড়ায় সেই সন্দীপ ঘোষ, ৭ হাজার লোক কীভাবে হামলা চালাল হাসপাতালে? প্রশ্ন প্রধান বিচারপতির
আরজি কর হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় শীর্ষ আদালতের প্রশ্নের মুখে সন্দীর ঘোষের ভূমিকা। আরজি কর হাসপাতালের অধ্যক্ষেপ ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়।
হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসককে যেভাবে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি। কীভাবে অধ্যক্ষ পুরো ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে চালানোর চেষ্টা করলেন। এবং ঘটনার সকালে হওয়ার পর কীভাবে ১১টা ৪৫ মিনিটে পুলিশ এফআইআর দায়ের করল। কেন সঙ্গে সঙ্গে এফআইআর দায়ের করা হল না।

গোটা ঘটনায় সন্দীপ ঘোষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধান বিচারপতি। কেন নির্যাতিতার পরিবারকে দেহ দেখতে দেওয়া হয়নি সঙ্গে সঙ্গে। কেন তাঁদের তিন ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয়েছিল। কেন নির্যাতিতা পরিবারকে আত্মহত্যা করেছে মেয়ে বলে জানানো হল। সন্দীপ রায়ের ভূমিকা নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন তুলেছেন প্রধান বিচারপতি। কীভাবে আরজি কর হাসপাতাল থেকে পদত্যাগের সঙ্গে সঙ্গে ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁকে দায়িত্ব দেওয়া হল। প্রশ্ন তোলের প্রধান বিচারপতি।
কেন প্রিন্সিপালকে তড়িঘড়ি পোস্টিং দেওয়া হল, কেন পরিবারেকে দেহ দেখতে দেওয়া হল না। আরজির হাসপাতালে কীভাবে ৭ হাজার লোক জমায়েত হয়ে হামলা চালাল তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শীর্ষ আদালত। আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার প্রতিবাদে গত ১৪ অগাস্ট রাত দখল কর্মসূচি করেছিলেন গোটা রাজ্যের মহিলারা।
কিন্তিু সেদিন আরজির হাসপাতালে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ আন্দোলন পণ্ড করে ৭ হাজার লোকের অবৈধ জমায়েত। হঠাৎ করে লাঠি-রড নিয়ে হাসপাতালে চড়াও হয়েছিল ৭ হাজার জন। হাসপাতালে ভাঙচুর চালায় তারা। পুলিশ কার্যত লুকিয়ে বেড়িয়েছিল সেদিন। সেই ঘটনা নিয়ে সওয়াল করেন প্রধান বিচারপতি। তিনি প্রশ্ন করেন কেন পুলিশের কাছে আগে থেকে খবর ছিল। ৭ হাজার লোকের জমায়েত কীভাবে হয়। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে বলে এদিন মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি।
রাজ্য সরকারকে অই ঘটনা নিয়ে তীব্র ভর্ৎসনা করেছেন প্রধান বিচারপতি। আরজি কর হাসপাতালে ভাঙচুরের ঘটনায় কতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তা জানতে চেয়ে আগামী ২২ অগাস্টের মধ্যে রাজ্য সরকারকে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। মাঝরাতে সাত হাজার লোকের জমায়েত পুলিশ জানত না বলে প্রশ্ন তুলেছেন। রাজ্য পুলিশকে রীতিমতো সতর্ক করে প্রধান বিচারপতি বলেছেন শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের কণ্ঠরোধ করা বন্ধ করুন। সিবিআই এবং রাজ্য সরকারকে পুরো ঘটনার রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications