আট রাজ্য-কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে হিন্দুরা ৫০%-র কম! সংখ্যালঘুর মর্যাদার দাবিতে সাড়া নেই, ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট
সংখ্যালঘুদের নিয়ে বিভিন্ন রাজ্য এখনও কেন্দ্রকে তথ্য না দেওয়ার বিতক্তি প্রকাশ করল সর্বোচ্চ আদালত। তথ্য দিতে রাজ্যগুলিকে ছয় সপ্তাহ সময় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালত বলেছে, রাজ্যগুলি যদি এই নির্দেশ না মানে, তাহলে তাদেরকে দশ হাজার টাকা করে জরিমানা দিতে হবে। কোনও রাজ্যে জনসংখ্যা অনুযায়ী কোনও ধর্মের লোকেদের সংখ্যালঘুর মর্যাদা দেওয়ার দাবি করে করা আবেদনের শুনানি হয় এদিন। সেখানেই সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশ দেয়।
উল্লেখ করা প্রয়োজন বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী অশ্বিনী উপাধ্যায় জনসংখ্যা অনুসারে সংখ্যালঘুর মর্যাদা দাবি করে একটি আবেদন দায়ের করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টে। তিনি তাঁর করা আবেদনে বলেছিলেন, নয়টি রাজ্যে জনসংখ্যার দিক থেকে হিন্দুরা সংখ্যালঘু। কিন্তু তার সরকারি মর্যাদা না থাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা কিংবা পরিচালনা করার অধিকার তাদের নেই। কোনও ধরনের সরকারি সহায়তাও সেইসব মানুষেরা পান না।

এই সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রকে রাজ্যগুলির কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করতে ও উত্তর জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছিল। কেন্দ্র আদালতে জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ২৪ টি রাজ্য ও ছ'টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এব্যাপারে উত্তর দিয়েছে। সেই জায়গায় জম্মু ও কাশ্মীর, রাজস্থান, ঝাড়খণ্ড, অরুণাচল প্রদেশ, তেলেঙ্গানা ও লাক্ষাদ্বীপ এব্যাপারে কোনও উত্তর দেয়নি। সর্বোচ্চ আদালতের তরফে এই রাজ্যগুলিকে দুই সপ্তাহের মধ্যে স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দিতে বলেছে।
উল্লেখ করা প্রয়োজন দেশের মোট আটটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে হিন্দুদের জনসংখ্যা ৫০ শতাংশের কম। এর অর্থ হল হিন্দুরা ওইসব রাজ্যে সংখ্যালঘুর পর্যায়ে পড়েন। এই রাজ্যগুলির মধ্যে রয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীর, পঞ্জাব, লাক্ষাদ্বীপ, অরুণাচল প্রদেশ, মণিপুর, নাগাল্যান্ড, মিজোরাম ও মেঘালয়। এই জন্য ২০১৭ সালে সুপ্রিম কোর্টে একটি আবেদন জমা দেওয়া হয়েছিল। এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে এপ্রিলে।












Click it and Unblock the Notifications