SriLanka: ভয়ঙ্কর আর্থিক সঙ্কটে জ্বলছে 'লঙ্কা'! ক্ষোভের বাড়ায় অর্থমন্ত্রীকে বরখাস্তের নির্দেশ
সরকারী নীতির প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে। লঙ্কার বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ছে বিক্ষোভের আগুন। এই অবস্থায় ৩৬ ঘন্টার কার্ফিউ জারি করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব এবং ইনস্টাগ্রামের মতো সোশ্যাল মিডিয়া
শ্রীলঙ্কার অর্থনৈতিক সঙ্কট শেষ হওয়ার জায়গায় নেই। পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। সরকারী নীতির প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে। লঙ্কার বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ছে বিক্ষোভের আগুন। এই অবস্থায় ৩৬ ঘন্টার কার্ফিউ জারি করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব এবং ইনস্টাগ্রামের মতো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিকেও বন্ধ রাখা হয়েছে।
এমনকি ইন্টারনেট পরিষেবাও বন্ধ রাখা হয়েছে। এই অবস্থায় যদিও ভারতের তরফে সবরকম সাহায্যের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অর্থমন্ত্রীকে বরখাস্ত করা হলে
এই অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী মানিহ্না রাজাপক্ষে'র মন্ত্রিসভার ২৬ জন মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। এই অবস্থায় নিজের ভাই তথা দেশের অর্থমন্ত্রী বাসিল রাজাপক্ষকে বরখাস্ত করলেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট। দেশের এহেন ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির কারণে বাসিলকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। বাসিল ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে শ্রীলঙ্কার অর্থনৈতিক অবস্থা যাতে উন্নতি করা যায় সেই কাজ চালাচ্ছিলেন। কিন্তু আজ তাঁকে সরয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

রাতেই মন্ত্রিসভা পদত্যাগ করেছে
অর্থনৈতিক সঙ্কট চলার মধ্যেই রবিবার মধ্যরাতে চরম নাটক সে দেশে! রবিবার গভীর রাতে শ্রীলঙ্কার মন্ত্রিসভা পদত্যাগ করে। তবে প্রধানমন্ত্রী রাজাপক্ষে (Mahinda Rajapaksa) পদে বহাল থাকছেন বলে জানা গিয়েছে। থাকছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টও। কিন্তু প্রেসিডেন্ট এবং প্রধানমন্ত্রীরও পদত্যাগ চায় শ্রীলঙ্কার মানুষ। আর এই দাবিতেই গত কয়েকদিন আগে শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের বাড়িতে জড়ো হন কয়েক হাজার মানুষ। আর তা নিয়ে রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি তৈরি হয়।

আলোচনার পরেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত
আর এই অবস্থাতেই রবিবার দ্বীপরাষ্ট্রের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনায় বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার সদস্যরা। সেখানেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শিক্ষামন্ত্রী দীনেশ গুণবর্দেনা জানিয়েছেন, সবমন্ত্রী তাদের পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন, যাতে রাষ্ট্রপতি নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করতে পারেন। তিনি আরও জানিয়েছেন দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে আলোচনা করার পরেই মন্ত্রিসভার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেয়।

সমস্ত দলকে আমন্ত্রন রাষ্ট্রপতির
সমস্ত ক্রমশ বাড়ছে। এই অবস্থায় সমস্ত দলকে আক্রমণ জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। সোমবার সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী সমস্ত রাজনৈতিক দলকে মন্ত্রী পদ গ্রহণ করতে এবং বর্তমান জাতীয় সংকট সমাধানে সহায়তা করার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কার্যত স্বাধীনতার পর সবথেকে বড় অর্থনৈতিক সঙ্কট। ক্রমশ দিনে ১৩ ঘন্টা বন্ধ রাখা হচ্ছে বিদ্যুৎ পরিষেবা। শেষ হয়ে আসছে ডিজেল সহ অন্যান্য জ্বালানিও। ভয়ঙ্কর মূল্যবৃদ্ধির গেঁড়োয় সে দেশের মানুষ।












Click it and Unblock the Notifications