SCO Summit: পাকিস্তান-চিনের শীর্ষ নেতৃত্বের সামনে ফুঁসে উঠল ভারত! সন্ত্রাসবাদ নিয়ে কড়া বার্তা মোদীর
পাকিস্তান-চিনকে লক্ষ্য করে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে কড়া বার্তা দিল ভারত! সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে দুই প্রতিবেশী দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সামনেই ফুঁসে উঠলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এসসিও-র শীর্ষ সম্মেলনে সন্ত্রাস মোকাবিলায় উপস্থিত সমস্ত দেশকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানালেন তিনি।
মঙ্গলবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এসসিও শীর্ষ সম্মেলনের সূচনা করে উদ্বোধনী বক্তব্য পেশ করেন। তাঁর বক্তব্যে সিংহভাগজুড়ে ছিল সন্ত্রাসবাদ। সন্ত্রাসবাদ নিয়ে তিনি প্রতিবেশী দেশগুলিকে সাবধান করে দেন ঘুরিয়ে। সন্ত্রাসে মদত নিয়ে কার্যত তিনি হুঁশিয়ারি দেন পাকিস্তান ও চিনকে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মঙ্গলবার এসসিও-অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির নেতাদের বলেছেন, "সন্ত্রাসী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কোনো দ্বিচারিতা রাখলে হবে না। আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করা দেশগুলির সমালোচনা করতেও দ্বিধা করলে চলবে না। সন্ত্রাসবাদ সমর্থন করা উচিত নয়। এটাই রাষ্ট্রী-নীতি হওয়া উচিত।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও রাশিয়ার ভ্লাদিমির পুতিনের উপস্থতিতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই সোজা কথা সোজা ভাবে বলেন। সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার এসসিও ভার্চুয়াল শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, সন্ত্রাসবাদ এবং সন্ত্রাসে অর্থায়ন সংক্রান্ত মোকাবিলাকে সর্বাগ্রে গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি আরো বলেন, "সন্ত্রাসবাদ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি বিঘ্ন করছে বারবার। বিশ্বের কাছে সন্ত্রাসবাদ ভয়াবহ হয়ে উঠছে। তাই পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, "আমাদের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে একত্রে লড়াই করতে হবে। কোনো ভেদাভেদ করলে হবে না। কোনোমতেই সন্ত্রাসবাদে সমর্থনকে বরদাস্ত করা উচিত নয়।
ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সসভাপতিত্বে এই ভার্চুয়াল শীর্ষ সম্মেলনে চিন, পাকিস্তান, রাশিয়া ছাড়াও কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান ও ইরানের শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করে প্রধানমন্ত্রী মোদী বিভিন্ন বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের দিকেও নজর দেন।
তিনি বলেন, বিতর্ক, উত্তেজনা ও মহামারীতে ঘেরা বিশ্বের কাছে সব দেশের জন্য খাদ্য, জ্বালানি ও সার সংকট একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এটি মোকাবেলায় ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা থাকতে হবে। আফগানিস্তানের পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, এই দেশ সম্পর্কে ভারতের উদ্বেগ এবং প্রত্যাশাগুলি বেশিরভাগ এসসিও দেশের মতোই।
জুনের শেষের দিকে ওয়াগনার ভাড়াটে গোষ্ঠী বিদ্রোহ জারি করেছিল রাশিয়ায়। সেই বিদ্রোহ দমনের পর এসসিও-র মতো আন্তর্জাতিক ইভেন্টে ভ্লাদমির পুতিনের প্রথম উপস্থিতি ছিল বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। আর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের রাষ্ট্রীয় সফরের আমন্ত্রণ সেরে আসার পর এই শীর্ষ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করলেন।












Click it and Unblock the Notifications