চিন ইস্যুতে DDLJ' নীতি নিয়েছে মোদী সরকার! জয়শঙ্করের বক্তব্যকে তীব্র কটাক্ষ কংগ্রেসের
ভারত-চিন সংঘাত নিয়ে বিজেপি -কংগ্রেসের মধ্যে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে
ভারত-চিন সংঘাত নিয়ে তুঙ্গে রাজনৈতিক বিতর্ক! আর এর মধ্যেই সীমান্ত সংঘাত নিয়ে রাহুল গান্ধীকে তীব্র আক্রমণ শানান বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। যা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়। এই অবস্থায় কড়া ভাষায় মোদী সরকারকে জবাব কংগ্রেসের। একেবারে তথ্য তুলে বার্তা বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশের।

তাঁর দাবি, চিন ইস্যুতে মোদী সরকার 'DDLJ' নীতি নিয়েছে। ভাবছেন তো ব্যাপারটা কি!! এই বিষয়ে ব্যাখ্যাও দিয়েছেন অবশ্য কংগ্রেস নেতা। জয়রাম রমেশের দাবি, 'DDLJ' অর্থাৎ Deny ( অস্বীকার করা), Distract ( নজর ঘরানো) , Lie ( মিথ্যা কথা বলা) এবং Justify ( যুক্তি দেওয়া) নীতি নিয়েছে।
বলে রাখা প্রয়োজন, দীর্ঘ সময় ধরে সীমান্তের চিনের দাদাগিরি চালাচ্ছে। এমনকি মাঝে মধ্যে দুই দেশের বাহিনীর মধ্যে সংঘাতের আবহ তৈরি হচ্ছে। আর তা নিয়ে বিরোধীদের জবাবে কার্যত চুপ থাকছে মোদী সরকার। সত্য লুকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও এদিন অভিযোগ করেছেন কংগ্রেস নেতা। যা নিয়ে নয়া তরজা কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে শুরু হয়েছে।
তবে জয়রাম রমেশ এদিন আরও বলেন, ২০২০ সালের মে মাসে LAC-তে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আর সেই সময়ে লাদাখে ৬৫ -এর মধ্যে ২৬ টি সেনা ছাউনির নিয়ন্ত্রণ হাতছাড়া ভারতের হয় বলে বিস্ফোরক দাবি করেন কংগ্রেস নেতা। তবে জয়শঙ্কর ৬২ সালের কথা তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেছিলেন। এদিন সেই বিষয়টিও তুলে ধরেন রাহুল গান্ধী ঘনিষ্ঠ এই নেতা।
তাঁর দাবি, ভারত সেই সময়ে নিজের ভুখন্ড রক্ষা করতে যুদ্ধে নেমেছিল ভারতীয় সেনা। কিন্তু ২০২০ সালে ভারত চিনের আক্রমণ স্বীকার করে নিয়েছিল বলে কটাক্ষ কংগ্রেস নেতার। এই অবস্থায় কখনও ১৯৬২ সালের সঙ্গে ২০২০ সালের তুলনা করা যায় না বলে কটাক্ষ তাঁর। অন্যদিকে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে চিনা রাষ্ট্রদূতের আলোচনা নিয়ে যে কথা বলা হচ্ছে তা ঠিক নয় বলেও জানিয়েছেন জয়রাম।
বলে রাখা প্রয়োজন, শনিবার বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর তাঁর একটি বইয়ের উদ্বোধনে যোগ দিয়েছিলেন। সেখানেই চিন ইস্যুতে বিদেশমন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। প্রশ্নের জবাবে বিদেশমন্ত্রী জানান, চিন ইস্যুতে অনেক লোক জমি নিয়ে মিথ্যা কথা বলছে। যেখানে ৬২ সালে জমি দখল করে নিয়েছিল কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন জয়শঙ্কর।
আর এরপরেও কীভাবে এই বিষয়ে প্রশ্ন তারা করে বলে প্রশ্ন তোলেন তিনি। এমনকি ২০১৭ সালে রাহুল গান্ধী চিনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ নিয়েও তীব্র আক্রমণ শানান বিদেশমন্ত্রী। যা নিয়ে তীব্র বিতর্ক হয়। আর এরপরেই এই ইস্যুতে মুখ খুললেন জয়রাম রমেশ।












Click it and Unblock the Notifications