বাজেটে সংস্কার মানেন অর্থমন্ত্রীরা! একনজরে কেন্দ্রীয় বাজেটে নানা সংস্কার
শুক্রবার সংসদে পেশ হয়েছে কেন্দ্রীয় বাজেট। এই বাজেট পেশের আগে, কিংবা পেশের সময় বিভিন্ন রকমের সংস্কার মেনে চলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। যার মধ্যে রয়েছে বাজেট পেশের সময়।
শুক্রবার সংসদে পেশ হয়েছে কেন্দ্রীয় বাজেট। এই বাজেট পেশের আগে, কিংবা পেশের সময় বিভিন্ন রকমের সংস্কার মেনে চলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। যার মধ্যে রয়েছে বাজেট পেশের সময়। রয়েছে বিভিন্ন অর্থমন্ত্রীদের পছন্দের উক্তি। একজনরে সেই সব সংস্কার।

টাইম টেবল
একটি কেন্দ্রীয় বাজেট তৈরি করতে পাঁচ থেকে সাত মাস সময় লাগে। ২০১৬ পর্যন্ত ফেব্রুয়ারি শেষ কাজের দিনটিকে বাজের পেশের জন্য বেছে নেওয়া হত। পরের বছর থেকে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ফেব্রুয়ারি প্রথম দিনটিকেই বেছে নেন বাজেট পেশের জন্য।

ব্লু শিট
বাজেটে যখন নতুন তথ্য যুক্ত হয়, তা তখন তা নীল পেপারের মাধ্যমে করা হয়। অর্থমন্ত্রীর হাতে নতুন তথ্য সম্বলিত নীল কাগজ তুলে দেওয়া হয়।
ব্রিটিশ যুগ থেকেই তা চলে আসছে বলেই সূত্রের খবর।

টিক টক
১৯৯৯ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করা হত বিকেল ৫ টায়। ২০০১-এ অর্থমন্ত্রী যশবন্ত সিনহা দীর্ঘদিনের ট্র্যাডিশনের পরিবর্তন করেন। সকাল ১১ টায় বাটেশ পেশ শুরু করেন তিনি।

দীর্ঘ সময়, কম সময় (বাজেট পেশের )
সাধারণত বাজেট পেশের সময় থাকে প্রায় এক ঘন্টা।. কিন্তু সব সময় তা করা হয় না। ১৯৯১ সালে সব থেকে বড় বাজেট বক্তৃতা ছিল মনমোহন সিং-এর। ( ১৮,৬৫০) পরেই রয়েছেন অরুণ জেটলি। গতবছর ১৮৬০৪ শব্দ। সব চেয়ে ছোট বক্তৃতা এইচ এম প্যাটেল, ১৯৭৭ সালে। ৮০০ শব্দ।

গোপন ফাইল
বাজেট পেশের আগে চূড়ান্ত গোপনীয়তা অবলম্বন করা হয়। ১৯৫০ সাল থেকেই তা চলে আসছে।

হালোয়া উৎস
মুদ্রণ শুরু হয় বাজেট পেশের কমপক্ষে সাতদিন আগে থেকে। অর্থমন্ত্রকের অফিসেই এই বাজেট ছাপার কাজ চলে। মিষ্টিমুখ করার পর এই কাজ শুরু করা হয়।
প্রায় ১০০ অফিসার ও কর্মীকে অর্থমন্ত্রকের তরফ থেকে মিষ্টি খাওয়ানো হয়।

তালা বন্দি
বাজেট মুদ্রন শুরু হওয়ার পর থেকে, সেই কাজে যুক্ত কর্মীদের নর্থব্লকেই থাকার বন্দোবস্ত করা হয়। পরিবার কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে তারা যোগাযোগ
করতে পারেন না। সেখানেই তাদের খাবার সরবরাহ করা হয়। চিকিৎসককেও সেখানেই রাখা হয়।

ব্রিফকেস থাকে অর্থমন্ত্রীর হাতে
বাজেটের দিন অর্থমন্ত্রীর হাতেই ধরা থাকে ব্রিফকেস। একেবারে ভাষণ দেওয়ার আগে পর্যন্ত। ভিক্টোরিয়ার সময় থেকেই এই প্রথা চলে আসছে। তবে অর্থমন্ত্রী বিশেষে এই ব্রিফকেস পরিবর্তিত হয়েছে।

বিখ্যাত ব্যক্তিদের উক্তি
অর্থমন্ত্রীরা সাধারণত বাজেট বক্তৃতার সময় বিখ্যাত ব্যক্তির উক্তি তুল ধরেন। মনমোহন সিং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং ভিক্টর হুগোকে পছন্দ করতেন।
জেটলি এবং পি চিদাম্বরম যথাক্রমে বিবেকানন্দ এবং থিরুভাল্লুভারকে পছন্দ করতেন। আর প্রণব মুখোপাধ্যয়ায় পছন্দ করতেন কৌটিল্য এবং শেক্সপিয়রের উক্তি।












Click it and Unblock the Notifications