রাহুল-সোনিয়া কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচনে ভোট দেবেন না! কেন এমন ভাবনা

২২ বছর পর কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচল হচ্ছে, কিন্তু অংশ নিচ্ছেন না কোনও গান্ধী। রাহুল, সোনিয়া বা প্রিয়াঙ্কা কেউই এবার প্রার্থী হননি কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচনে, এমনকী তাঁরা এবার ভোটও দেবেন না বলে মনস্থ করেছেন।

২২ বছর পর কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচল হচ্ছে, কিন্তু অংশ নিচ্ছেন না কোনও গান্ধী। রাহুল, সোনিয়া বা প্রিয়াঙ্কা কেউই এবার প্রার্থী হননি কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচনে, এমনকী তাঁরা এবার ভোটও দেবেন না বলে মনস্থ করেছেন। কিন্তু কেন ভোট দেওয়া থেকেও বিরত থাকতে চাইছেন রাহুল-সোনিয়রা?

ভোট না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন গান্ধীরা

ভোট না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন গান্ধীরা

আর মাত্র দু-সপ্তাহ, তারপরই বহু প্রতীক্ষিত নির্বাচন সংঘটিত হবে দেশের গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির। এবার কংগ্রেসের প্রধান নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন মল্লিকার্জুন খাড়গে ও শশী থারুর। দীর্ঘদিন পর কংগ্রেসের নির্বাচন হতে চলেছে গান্ধী পরিবারকে বাদ দিয়ে। সবথেকে বড় কথা এবার এই নির্বাচনে তারা ভোট না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।

নিরপেক্ষ থাকতে এবার ভোটাভুটিতেও গররাজি

নিরপেক্ষ থাকতে এবার ভোটাভুটিতেও গররাজি

কিছুদিন ধরেই চর্চা চলছিল গান্ধীরা অংশ না নিলেও এবারের নির্বাচনে কি তাঁরা নিরপেক্ষ থাকতে পারবেন? এই নির্বাচনে গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা করুক কংগ্রেস, এমনটা চাইছিল রাজনৈতিক মহল। সেইমতো কংগ্রেসও বদ্ধপরিকর গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা করতে। তাই তাঁরা নিরপেক্ষ থাকতে এবার ভোটাভুটিতেও অংশ নিতে চাইছেন না। সেই নিরিখে এবার কংগ্রেসের নির্বাচন ঐতিহাসিক হতে চলেছে।

রাহুল সওয়াল করেছিলেন অ-গান্ধী সভাপতির

রাহুল সওয়াল করেছিলেন অ-গান্ধী সভাপতির

২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে হারের পর রাহুল গান্ধী কংগ্রেস সভাপতির পদ ছেড়ে তিনি সওয়াল করেছিলেন অ-গান্ধী সভাপতির। তিনি আপত্তি জানিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কার সভাপতি হওয়া নিয়েও। তিনি প্রকৃত অর্থেই অ-গান্ধী সভাপতি চাইছিলেন। কিন্তু তারপর তিন বছর কেটে গিয়েছেন কোনও সভাপতিকে বেছে নিতে পারেনি কংগ্রেস। রাহুলকে বারবার আর্জি জানানো কংগ্রেসের দায়িত্ব নেওয়ার। কিন্তু তিনি দায়িত্ব নেননি, অন্তর্বর্তী সভাপতির দায়িত্ব নিয়েছিলেন সোনিয়া।

লড়াই দাঁড়ায় মল্লিকার্জুন খাড়গে বনাম শশী থারুরের

লড়াই দাঁড়ায় মল্লিকার্জুন খাড়গে বনাম শশী থারুরের

তারপর ফের নির্বাচনী আসর বসছে কংগ্রেস। এবারের নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন তিনজন। প্রথম জন শশী থারুর, তারপর মল্লিকার্জুন খাড়গে ও কে এন ত্রিপাঠীও মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। স্ক্রুটনির পর বাতিল হয় ত্রিপাঠীর মনোনয়ন। ফলে লড়াই দাঁড়ায় মল্লিকার্জুন খাড়গে বনাম শশী থারুরের। গান্ধী পরিবার জানিয়ে দিয়েছে কোনও অফিসিয়াল প্রার্থী নেই। তাঁরা চেয়েছিলেন আর বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুক। কিন্তু শেষপর্যন্ত দুজনেই সীমাবদ্ধ থাকে লড়াই।

পুরনো লড়াইয়ের ফলাফল মোতাবেক ধারণা

পুরনো লড়াইয়ের ফলাফল মোতাবেক ধারণা

১৯৯৭ সালে সোনিয়ার বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছিলেন সীতারাম কেশরী, শারদ পাওয়ার ও রাজেশ পাইলট। সেবার চার জনের লড়াউ হয়েছিল। সোনিয়া তিনজনকে হারিয়ে জয়ী হয়েছিলেন। ২০০০ সালে শেষবার ভোটে সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছিলেন জিতেন্দ্র প্রসাদ। তাঁর লজ্জাজনক হার হয়েছিল। মাত্র ১ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন জিতেন্দ্র। আর ৯৯ শতাংশ ভোট গিয়েছিল সোনিয়ার ঝুলিতে। তার আগে ২০০০ সালের পর থেকে সোনিয়া ও রাহুল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে আসছেন।

অফিসিয়াল প্রার্থী নেই, ওপেন চ্যালেঞ্জ! সত্যিই কি

অফিসিয়াল প্রার্থী নেই, ওপেন চ্যালেঞ্জ! সত্যিই কি

টানা ২০ বছর সোনিয়া-রাহুলের গ্রিপে ছিল কংগ্রেসের ব্যাটন। ফলে অ-গান্ধী সভাপতি হলেও গান্ধী পরিবারের অনুমোদন ছাড়া কেউ নির্বাচিত হবেন, তা ভাবাও দুরুহ হচ্ছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের তরফে। সেই কারণে দাবি উঠছিল সোনিয়ারা বিরত থাকুন। সোনিয়া গান্ধী জানিয়েছেন, এবার কোনও অফিসিয়াল প্রার্থী নেই। একেবারে ওপেন চ্যালেঞ্জ। সোনিয়া, রাহুল, প্রিয়াঙ্কারা ভোটাভুটিতেও অংশ নেবেন না বলে গুঞ্জন উঠেছে। যদিও রাজনৈতিক মহলে প্রচার, মল্লিকার্জুন খাড়গেই হলেন অফিসিয়াল প্রার্থী। শশী থারুর তাঁর চ্যালেঞ্জার।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+