সিএএ-র প্রতিবাদ! আলিগড়ের ১০ হাজার পড়ুয়ার বিরুদ্ধে মামলা পুলিশের
সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সামিল হওয়াতে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের শায়েস্তা করতে ইতিমধ্যেই একাধিক দমনমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে যোগী সরকার। নাগরিক সমাজের কাছে সেগুলি যথেষ্ট সমালোচিতও হয়েছে। পাশাপাশি তা নিয়ে ইতিমধ্যেই তুমুল সমালোচনা শুরু হয়েছে গোটা দেশ জুড়ে। বিক্ষুব্ধ ছাত্রদের আন্দোলন বিমুখ করতে ইতিমধ্যেই অনেককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও এখনও পর্যন্ত ১০,০০০ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে পুলিশ মামলা রুজু করেছে বলে জানা যাচ্ছে। যদিও তাদের সবাইকে এখনো চিহ্নিত করা যায়নি বলে জানা যাচ্ছে।

ডিসেম্বরের ১৫ তারিখে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে অলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা ক্যাম্পাস চত্বরে বিক্ষোভ দেখলে পুলিশ তাদের উপর লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ। পুলিশের সাথে ছাত্রদের সংঘর্ষে জখম হয় একাধিক পড়ুয়া ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা রক্ষীরা।
অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের পাশেই দাঁড়িয়েছেন সমস্ত শিক্ষক। ছাত্রদের পাশের দাঁড়িয়ে এএমইউ এর শিক্ষক সংগঠন ১৫ তারিখের ওই ঘটনার বিচারবিভাগীয় তদন্তেরও দাবি করেন শুক্রবার। বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে ১৫ তারিখের ওই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে যাতে নির্যাতিত পড়ুয়ারা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠনের দাবি যে ওই দিনের ঘটনায় প্রতিবাদকারী ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা রুজু করেছে পুলিশ। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠন ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে রুজু হওয়া মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের জন্য দাবিও করতে চলেছেন বলে জানা যাচ্ছে। যে সমস্ত ছাত্রছাত্রীরা ১৫ তারিখের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের তথ্য প্রমাণ জমা দেওয়ার জন্যও বলা হয়েছে যাতে দ্রুত আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠন জানিয়েছে যে ক্যাম্পাসের শান্তি রক্ষার্থে সবরকম চেষ্টা চালাবে তারা।












Click it and Unblock the Notifications