সঙ্কটে পাঞ্জাবের কংগ্রেস শিবির, অমরিন্দর–সিধু সংঘাত উঠল চরমে
মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থানের পর এবার পাঞ্জাবেও প্রকট কংগ্রেসের অন্তর্দ্বন্দ্ব। লোকসভা ভোটে কংগ্রেসের ভরাডুবির পর পাঞ্জাবে প্রথম বসেছিল মন্ত্রিসভার বৈঠক।
মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থানের পর এবার পাঞ্জাবেও প্রকট হয়ে উঠেছে কংগ্রেসের অন্তর্দ্বন্দ্ব। লোকসভা ভোটে কংগ্রেসের ভরাডুবির পর পাঞ্জাবে প্রথমবার বসেছিল মন্ত্রিসভার বৈঠক। মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিংয়ের নেতৃত্বে সেই বৈঠকে যোগ দিলেন না মন্ত্রিসভার অন্যতম সদস্য নভজ্যোত সিং সিধু। বৈঠকে যোগ না দিয়ে সিধু জানিয়েছেন তিনি কোনও ভাবেই নিজেকে হেলাফেলার পাত্র মনে করেন না। নিজের গুরুত্ব বোঝাতেই যে এই মন্ত্রিসভার বৈঠক যোগ দেননি সেটা স্পষ্ট করে দিয়েছেন।

অমরিন্দরের অভিযোগ
ভোট চলাচালীনই অমরিন্দর সিং অভিযোগ করেছিলেন তাঁকে সরিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পদ দখল করতে চান সিধু। দলবদলি সিধুকে যে পাঞ্জাব কংগ্রেস কোনওভাবেই মেনে নেননি সেটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটে বিজেপির হয়ে প্রার্থী হয়েছিলেন নভোজ্যোত সিং সিধু। কিন্তু পাঞ্জাব বিধানসভা ভোটের আগে দল বদলে কংগ্রেসে আসেন। বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে পাঞ্জাব মন্ত্রিসভায় নিজের জায়গা করে নেন। কিন্তু তার পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সংঘাত শুরু হয় একাধিক বিষয়ে।

বরাবর বিতর্কে সিধু
পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানে গিয়ে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছিলেন সিধু। একের পর এক বিতর্কিত কথা বলেছিলেন তিনি। করতারপুর করিডোরের উদ্বোধনেই একই ভাবে পৌঁছে গিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের আলোচনায় বসার দাবিতে সরব হয়েছিলেন তিনি। সিধুর এই মন্তব্যের জন্য টেলিভিশনের কমেডি শো থেকেও বাদ দিয়ে দেওয়া হয়। তারপরেও দমেননি সিধু, একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করে গিয়েছেন।

কংগ্রেসে অন্তর্দ্বন্দ্ব
তারপর থেকে মনোমালিন্য চলছেই। লোকসভা ভোটে পাঞ্জাবের গ্রামীণ এলাকায় ভয়ঙ্কর খারাপ ফল করেছে কংগ্রেস। এই নয়ে হাইকমান্ডের কাছে কথাও শুনতে হয়েছে অমরিন্দরকে। বৃহস্পতিবার সেই বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেই মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং। সিধু সেখান না গিয়ে পাল্টা যে দাবি করেছেন তাতে আরও প্রকট হয়েছে কংগ্রেসের অন্তর্দ্বন্দ্ব। সিধু দাবি করেছেন তিনি তাঁর দায়িত্ব যথাযথভাবেই পালন করেছেন। এবার পরীক্ষা অমরিন্দরের।












Click it and Unblock the Notifications