শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত সত্যের জন্য লড়ে যাব, নেতৃত্বকে বার্তা দিলেন সিধু
শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত সত্যের জন্য লড়ে যাব, নেতৃত্বকে বার্তা দিলেন সিধু
কংগ্রেসে সংকট বাড়ছে পাঞ্জাবে। সিধুর আচমকা পদত্যাগের পরেই জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত মুখ খুললেন সিধু। ভিডিও বার্তার পর সরসরি সাংবদিক বৈঠক করে সিধু জানিয়েছেন তিনি জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত সত্যের জন্য লড়াই করে যাবেন। তিনি বলেছেন তাঁর এই সিদ্ধান্ত কোনও ব্যক্তিগত লড়াই নয়। নৈতিকতা এবং আদর্শের লড়াই। সেকারণেই এই সিদ্ধন্ত নিয়েছেন তিনি। এক কথায় হাইকমান্ডকে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি শিখন্ডি হতে রাজি নন।

দলকে বার্তা সিধুর
নভজ্যোত সিং সিধু স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন দলকে। গতকাল থেকেই তাঁকে ঘিরে জল্পনার পারদ চড়ছিল। কেন হঠাৎ করে পাঞ্জাবের কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলেন তিনি। বিশেষ করে অমরিন্দর সিং যখন মুখ্যমন্ত্রী পদ খেকে ইস্তফা দিয়েছেন কখন এমন কী হল যে সিধু সরে আসার সিদ্ধান্ত নিলেন। তারপরেই সাংবাদিক বৈঠকে সিধু জানান কোনও ব্যক্তিগত লড়াইয়ের কারণে তিনি এটা করেননি। কিনি করেছেননৈতিকরতার খাতিরে এবং আদর্শের খাতিরে। জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত তিনি সত্যের জন্য লড়াই করে যাবেন বলে দলকে বার্তা দিয়েছেন।

ক্ষমতাহীন পদ
সিধুর এই পদত্যাগের নেপথ্যে রয়েছে ক্ষমতা হীন পদ। এমনই মনে করা হচ্ছে রাজনৈতিক মহলে। কারণ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি পদে সিধুকে বসানো হলেও কংগ্রেস হাইকমান্ড কিন্তু একের পর এক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সিধুর মতের বিরুদ্ধে গিয়ে। সিধুর মতের বিরুদ্ধে গিয়েই উপমুখ্যমন্ত্রী রনধাওয়াকে সব গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। নতুন মন্ত্রী সভায় এমন কয়েকজনকে জায়গা দেওয়া হয় যার বিরোধিতা প্রথম থেকে করে এসেছিলেন সিধু। এমনকী তাঁর পছন্দের কোনও আইএএস অফিসারকেও জায়গা দেওয়া হয়নি। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে সিধুর কথার কোনও গুরুত্বই দেয়নি দল।

অমরিন্দরের সঙ্গে বিরোধ
পাঞ্জাব কংগ্রেসে প্রথম থেকেইঅমরিন্দর সিংয়ের সঙ্গে সিধুর প্রবল বিরোধ ছিল। সিধুকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি নিয়োগ করা নিয়ে প্রবল বিরোধিতা করেছিলেন অমরিন্দর। এমনকী সোনিয়া গান্ধীকে চিঠি লিখে পর্যন্ত তাঁর আপত্তির কথা জানিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত সিধু প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হলেন বটে তবে টিকতে পারলেন না। এদিকে আবার সিধুর উস্কানিতেই অমরিন্দরের বিরোধিতা প্রকট হয় পাঞ্জাব কংগ্রেসে। শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করতে বাধ্য হন অমরিন্দর। এদিকে আবার তাঁর বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী মুখ কে
পাঞ্জাবে বিধানসভা নির্বাচন এগিয়ে এলেও কাকে মুখ্যমন্ত্রী মুখ হিসেবে লড়া হবে তা এখনওঠিক করে উঠতে পারেনি প্রদেশ কংগ্রেস। সেই প্রতিযোগিতায় অনেকেই রয়েছেন। সুধুও তাতে পিছিয়ে নেই। কিন্তু হাইকমান্ডের একর পর এক সিদ্ধান্তে খুব একটা ভরসা পাচ্ছিলেন না সিধু। মুখ্যমন্ত্রী মুখ হিসেবে যে তাঁকে সামনে রেখেই লড়বে দল এমটা বুঝে উঠতে পারছিলেন না। সম্ভবত প্রবল অনিশ্চয়তা আঁচ করেই শেষ পর্যন্ত পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন িতনি।












Click it and Unblock the Notifications