উত্তরপ্রদেশে নারীর ক্ষমতায়নে হাজার কোটি! মোদী
উত্তরপ্রদেশে নারীর ক্ষমতায়নে হাজার কোটি! মোদী
প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার উত্তরপ্রদেশ প্রয়াগরাজে একটি সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাবেন। মহিলাদের যাতে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারেন ক্ষমতায়নের লক্ষ্য়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মোট ১ হাজার কোটি টাকা বিভিন্ন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হবে। এতে প্রায় ১৬ লক্ষ মানুষ উপকৃত হবেন বলেই জানা গিয়েছে।

২০২২ সালের শুরুতে উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা
২০২২ সালের শুরুর দিকেই উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। প্রচারে নেমেছেন খোদ প্রধানমন্ত্রীও। প্রধানমন্ত্রী দেশের সমস্ত মহিলার ক্ষমতায়নের যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, তা বাস্তবায়িত করতেই স্বনির্ভর গোষ্ঠীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলিতে মোট প্রায় এক হাজার কোটি টাকা পাঠানো হবে বলে জানা গিয়েছে।

৬০ হাজার স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে ১৫ হাজার টাকা করে দেওয়া
দীনদয়াল অন্ত্যোর্দয় যোজনা-জাতীয় গ্রামীণ রোজকার যাত্রা মিশনের অধীনে মোট আশি হাজার স্বনির্ভর গোষ্ঠীর অ্যাকাউন্টে ১.১০ লক্ষ টাকা করে পাঠানো হবে। এছাড়াও ৬০ হাজার স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে ১৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। নারীদের তাদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা, প্রণোদনা ও সম্পদ প্রদানের মাধ্যমে ক্ষমতায়নের জন্য সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী কন্যা সুমঙ্গলা প্রকলের মাধ্যমে ১ লক্ষ সুবিধাভোগীর অ্যাকাউন্টে মোট ২০ কোটি টাকা দেওয়া হবে।

২ লক্ষেরও বেশি মহিলার অংশগ্রহণ
২ লক্ষেরও বেশি মহিলার অংশগ্রহণে একটি মেগা সমাবেশে, প্রধানমন্ত্রী মোদী ২০২ টি সম্পূরক পুষ্টি উত্পাদন ইউনিটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। নারীদের তাদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা, প্রণোদনা ও সম্পদ প্রদানের মাধ্যমে ক্ষমতায়নের জন্য সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী কী বললেন
কন্যা সুমঙ্গলা স্কিম সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন বেশিরভাগ সুবিধাভোগী সেই মেয়েরা যাদের কিছুকাল আগে পর্যন্ত অ্যাকাউন্টও ছিল না। কিন্তু আজ, তাদের ডিজিটাল ব্যাঙ্কিংয়ের ক্ষমতা রয়েছে। এখন, ইউপির মেয়েরা তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে তারা আগের সরকারগুলোকে আবার ক্ষমতায় আসতে দেবে না।
প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতায় ইউপিতে ৩০ লক্ষেরও বেশি বাড়ি তৈরি করা হয়েছে। প্রায় ২৫ লক্ষ বাড়ি মহিলাদের নামে নথিভুক্ত করা হয়েছে। প্রজন্ম ধরে মহিলাদের এখানে কোনও সম্পত্তি ছিল না। কিন্তু আজ তারা পুরো বাড়ির মালিক। এটাই সত্যিকারের নারীর ক্ষমতায়ন।

বিয়ের বয়স ১৮ বছর থেকে বাড়িয়ে ২১ করা হল
মহিলাদের জন্য বিয়ের বয়স ১৮ বছর থেকে বাড়িয়ে ২১ বছর করার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের কথাও বলেছেন মোদী। যাতে মহিলারা তাঁদের পড়াশুনা চালিয়ে যেতে পারে। সমান সুযোগ সুবিধা পান। তিনি জানান, পিএম মুদ্রা যোজনার অধীনে ৭০% ঋণ মহিলাদের জন্য বিতরণ করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications