অগ্নিগর্ভ মণিপুর, ছড়াচ্ছে ভুয়ো ভিডিও, ৯০০০ মানুষ ঘরছাড়া
সেনা নামিয়েও থামানো যাচ্ছে না অশান্তি। এখনও অগ্নিগর্ভ ভারতের উত্তরপূর্ব রাজ্য মণিপুর। সেনার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে অশান্তি ছড়ানোর জন্য ভুয়ো ভিডিও ছড়ানো হচ্ছে। সেকারণেই আরও বাড়ছে হিংসার আগুন। এদিকে সেনার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বািহনীও নামানো হয়েছে মণিপুরে।
প্রায় ৯০০০ মানুষ ঘরছাড়া হয়েছেন হিংসার কারণে। নাগা এবং কুকি আদিবাসী সংগঠন তপশিলি জাতিতে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে একাধিক জায়গায় মিছিল বের করছে। তার পাল্টা মিছিল বের করে মণিপুরের আরেক আদিবাসী প্রজাতি মেইই। তার জেরেই সংঘর্ষের সূত্রপাত।

গতকয়েক দিন ধরেই মমিপুর অগ্নিগর্ভ হয়ে রয়েছে। আদিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘাতের জেরে তপ্ত ইম্ফল, চন্দ্রচূড়পুর। জারি করা হয়েছে কার্ফু। সেনা নামানো হয়েছে। কিন্তু তারপরেও পরিস্থিতি শান্ত হচ্ছে না। একাধিক জায়গায় দফায় দফায় অসান্তির ঘটনা ঘটেই চলেছে।

গত বুধবার থেকে চলছে অশান্তি। মণিপুরের মেইই সম্প্রদায়কে তপশিলি উপজাতির আওতায় আনার প্রতিবাদে রাস্তায় নামে নাগা এবং কিকি সম্প্রদায়ের সংগঠন। তার জেরেই দফায় দফায় সংঘর্ষে উত্তেজনা ছড়ায়। একাধিক বাড়ি এবং গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। প্রায় ৯০০০ মানুষ ঘরছাড়া। সেনা বাহিনী ৭৫০০ মানুষকে নিরাপদে তাঁদের হিংসা বিদ্ধস্ত গ্রাম থেকে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে।
সেনা বাহিনীর পক্ষ থেকে গতকাল দাবি করা হয়েছে ভুয়ো ভিডিও ছড়াচ্ছে। সেকারণেই হিংসা থামছে না। মণিপুর পুলিশ প্রশাসনের হাতে তারা বেশ কিছু ভুয়ো ভিডিও তুলে দিয়েছে। সেগুলি কোথা থেকে ছড়াচ্ছে তার খোঁজ শুরু হয়েছে। গতকাল মণিপুর সরকার কড়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেখানে অশান্তি একেবারেই থামানো যাচ্ছে না হিংসা চরকম আকার নিচ্ছে সেখানে দেখামাত্রা গুলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সেনাবাহিনীর সঙ্গে আধা সেনাও নামানো হয়েছে মণিপুরে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ গোটা পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চ পদস্থআধিকারীকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এমনকী ব্রডব্র্যান্ড পরিষেবাও গতকাল থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। হিংসা বিধ্বস্ত এলাকায় ব়্যাফও নামানো হয়েছে। গতকাল বক্সার মেরি কম টুইট করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে অনুরোধ জানিয়েছিলেন মণিপুরের পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য।












Click it and Unblock the Notifications