দ্য কেরালা স্টোরি নিয়ে বিজেপিকে সুবিধা করে দিচ্ছেন মমতা! তৃণমূলকে 'আলিবাবা চল্লিশ চোর' বলে নিশানা মীনাক্ষীর
নীতি নৈতিকতার সময় গিয়েছে। যে সময় রবীন্দ্রনাথ, বিবেকানন্দের নাম নেওয়ার কথা সেই সময় কুন্তল ঘোষ, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়, পার্থ-অর্পিতার নাম নেওয়া হচ্ছে। আর তাদের দলের নেত্রী বিবেকানন্দকে পায়ের কাছে রেখে তাঁর নাম স্মরণ করছেন। হুগলির গুপ্তিপাড়ার সভা থেকে তৃণমূল ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এমনটাই নিশানা করলেন সিপিআইএম নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়।
কুন্তল ঘোষের নামের প্রেক্ষিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখোমুখি বসিয়ে জেরার কথা বলেছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গাঙ্গুলি। তাতে আপত্তি ছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কিন্তু সোমবার বিচারপতি অমৃতা সিনহা বলেছেন জিজ্ঞাসাবাদ চলতেই পারে। এদিনের সভায় একথাও উল্লেখ করেন মীনাক্ষী। বলেন দোষ না করলে ভয় কিসের।

মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় বহিষ্কৃত তৃণমূল তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের কীর্তি নিয়ে তৃণমূলকে নিশানা করেন। তিনি বলেন, অপরাধীরা যে অপরাধ করুক না কেন, তারা ঠিক কিছু না কিছু প্রমাণ রেখে যায়। শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়িতে চাকরি প্রাপকদের তালিকা রেখে গিয়েছিলেন।
তিনি কটাক্ষ করে বলেন, সরকার টা এপ্রিল মাসে দুয়ারে বেরিয়েছিল। দুয়ারে সরকার বললো ২২ শে এপ্রিল বুথে যাবো। তারপরেই বলল সব জেলায় তাঁবু ফেলতে যাবো। তিনি প্রশ্ন করেন, তাঁবু কারা খাটায় বলুন তো। আরব্য রজনীর আলিবাবার চাল্লিশ চোরের চোরেরা তাঁবু খাটাত। ধন সম্পত্তি লুট করে তাঁবু খাটিয়ে থাকতো।

তিনি বলেন, আর যারা অস্থায়ী দোকানদার হয় তারা তাঁবু খাটিয়ে থাকে। মেলায় হরেকমাল বিক্রি করে, তারা তাবু খাটায়। আর ইমিটেশনকে সোনা বলে বিক্রি করে চলে যায়। কিন্তু রাতবিরেতে লম্ফ জ্বালিয়ে কোনও মুদির দোকানে গিয়ে ঠকঠকালে চাল ডাল পাবেন, সেটা সিপিআইএম।
তিনি কটাক্ষ করে বলেন, কখন দুর্নীতি করতে করতে গোটা সরকারটাই তাঁবুর তলায় চলে যাবে কেউ টের পাবেন না। গোটা রাজ্য জুড়ে লড়াই চলছে। কিন্তু পরিস্থিতি এমন হওয়ার কথা ছিল না। ভোটের আগে তৃণমূল জেলায় জেলায় অশান্তির পরিবেশ তৈরি করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

দ্য কেরালা স্টোরি রাজ্যে নিষিদ্ধ করার নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় বলেন, উস্কানিমূলক। বিজেপিকে আরও বেশি প্রচারে নিয়ে আসবে, মুখ্যমন্ত্রীর এই পদক্ষেপ। তৃণমূলের নব জোয়ার কর্মসূচিকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে যেখানে ভোট লুট করছিল, এখন সেটা তাঁবু খাটিয়ে লুট করছে।












Click it and Unblock the Notifications