মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচন ২০২৪: প্রচারে বিজেপি কর্মীদের বাড়ি বাড়ি যাওয়ার শাহ বার্তা
নভেম্বর মাসে মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচন। হাতে কেবল এই অক্টোবর মাস। প্রচারে আরও বেশি জোর দেওয়ার বার্তা শাসক - বিরোধী দুই পক্ষেরই। বিজেপি - শিন্ডে জোট সরকার মহারাষ্ট্রের গদিতে। এবারের নির্বাচনে টক্কর দিতে ওয়ার্মআপ করছেন উদ্ভব ঠাকরে, শরোদ পাওয়াররাও। এরই মধ্যে বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
বিজেপি কর্মী - নেতাদের উদ্দেশ্যে বড় বার্তা দিলেন অমিত শাহ। একদম মাটির কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ার বার্তা দিলেন। মানুষের মধ্যে পৌঁছে তাঁদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন ও যোগাযোগ করতে হবে। সাধারণ মানুষ কী ভাবছেন, কী করতে চাইছেন। সেই বিষয়কে অনুধাবন করতে হবে। বার্তা দিলেন শাহ।

'ঘর চলো অভিযান' করার বার্তা দিলেন অমিত শাহ। বিজেপি নেতা - কর্মীদের বুথ স্তরের নেটওয়ার্ককে আরও শক্তিশালী করার কথা বলা হল। মহারাষ্ট্রের প্রতিটি বাড়িতে যাওয়ার কথা বলেছেন তিনি। বিরোধীদের সঙ্গে তাঁদের পার্থক্য বুঝিয়ে দিতে বলেছেন শাহ।
বিজেপি মহারাষ্ট্রে খুব একটা সাফল্য এখনও আসেনি। সরকারে থাকলেও জোট বাঁধতে হয়েছে। বিজেপি একা ভালো ফল পায়নি। এবারের লোকসভা নির্বাচনেও বিজেপি ধাক্কা খেয়েছে৷ জোটের ফলাফলও খারাপ। আর তার কয়েক মাস পরেই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন৷ ফলে বিজেপির উপর আলাদা একটা চাপ আছে। মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একটা অংশ।
মঙ্গলবার মহারাষ্ট্রের দলীয় সভায় বক্তব্য রাখেন অমিত শাহ। দলের নেতা - কর্মীদের বার্তা দেন তিনি। এক পক্ষ কালের মধ্যে মহারাষ্ট্রে এটি তাঁর তৃতীয় সফর। শাহ বিজেপি বিধায়ক এবং দলীয় কর্মীদের একটি নির্বাচিত দলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। " একটি সংস্থা যেখানে কর্মীরা বিভিন্ন দিকে কাজ করে কখনও সফল হয় না। নির্বাচনের আগে আমাদের এই পার্থক্যগুলি সমাধান করতে হবে।" শাহ জোর দিয়েছেন গ্রাউন্ড লেভেলে।
" রাজ্য বিজেপি ইউনিট নির্বাচনের আগে একটি পরিকল্পনা তৈরি করবে। দলীয় কর্মীদের ওয়ার্ড-পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছানো উচিত। এটি আমাদের বিজয় নিশ্চিত করবে। " দাবি অমিত শাহের। " নাম নথিভুক্ত করার সময় নতুন সদস্যদের বিজেপিকে ভোট দিতে বলবেন না। তারা সদস্য হলে ভোটের গুরুত্ব বুঝতে পারবেন। দলের কর্মীদের প্রতিটি বুথে ২০ জন নতুন ভোটার যোগ করার আকাঙ্ক্ষা করা উচিত।" বার্তা শাহের।
বিজেপি রাজ্যের ক্ষমতাসীন মহাদ্যুতি জোটের অংশ। শিবসেনা ( একনাথ শিন্ডে) এবং এনসিপি ( অজিত পাওয়ার)ও রয়েছে। ফলে রাজনৈতিক জল কোথায় গড়ায়? সেই চর্চা থাকছেই।












Click it and Unblock the Notifications