Covid Managament: রাজ্যগুলিকে কোভিড মোকাবিলায় চিঠি! কেন্দ্রের পরামর্শগুলি একনজরে
চিন, জাপান, ব্রাজিল-সহ বিভিন্ন দেশে সম্প্রতি ক্রমবর্ধমান করোনা সংক্রমণের কারণে সতর্কতা ও আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার বার্তা দিয়ে রাজ্যগুলিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। এক্ষেত্রে আলাদা করে কোনও আদেশ দেওয়া হয়নি। শুধুমাত
চিন, জাপান, ব্রাজিল-সহ বিভিন্ন দেশে সম্প্রতি ক্রমবর্ধমান করোনা সংক্রমণের কারণে সতর্কতা ও আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার বার্তা দিয়ে রাজ্যগুলিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। এক্ষেত্রে আলাদা করে কোনও আদেশ দেওয়া হয়নি। শুধুমাত্রা পরামর্শগুলির পুনর্নবীকরণ করা হয়েছে।

ঝুঁকি কমানোর ব্যবস্থা নিতে আহ্বান
কেন্দ্রের তরফে রাজ্যগুলিকে দেওয়া চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত কয়েক দিনে ভারতে গড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ১৫৩-এর আশপাশে। গত দুবছরে মহামারীর সময়ের মধ্যে এই সংখ্যাটা সর্বনিম্ন। তবে কেন্দ্রের তরফে বলা হয়েছে বছর শেষ এবং নববর্ষের উৎসবের মরসুমে ঝুঁকি কমাতে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
কেন্দ্রের তরফে বলা হয়েছে, টেস্ট-ট্র্যাক-ট্রিট-ভ্যাকসিনেশনের পাশাপাশি কোভিড কী ঘরনের আচরণ করতে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। মাস্ক ব্যবহারের পাশাপাশি হাত পরিষ্কার রাখা, শ্বাসযন্ত্রের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং শারীরিক দূরত্ব মেনে চলার কথাও বলা হয়েছে কেন্দ্রের চিঠিতে।

পরীক্ষার সংখ্যা বাড়াতে হবে, জানাতে হবে কেন্দ্রকে
কেন্দ্রের দেওয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, রাজ্যগুলির সব স্বাস্থ্যকেন্দ্রে জেলা-ভিত্তিক ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো অসুস্থতা এবং শ্বাসযন্ত্রণের তীব্র অসুস্থতা সংক্রান্ত বিষয়গুলি পর্যবেক্ষণ করে কেন্দ্রকে রিপোর্ট পাঠাতে হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে সংক্রমণ বৃদ্ধির দিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে।
রাজ্যগুলিকে দেওয়া কেন্দ্রের চিঠিতে বলা হয়েছে, সব জেলায় আরটিপিসিআর এবং অ্যান্টিজেনের পর্যাপ্ত পরীক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। জিনোম সিকোয়েন্সিং-এর জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক নমুনা পাঠানোর বিষয়টিও ফের উল্লেখ করা হয়েছে চিঠিতে।

হাসপাতালে ড্রাই রান
কেন্দ্রের তরফে রাজ্যগুলিকে বলা হয়েছে, হাসপাতালগুলিতে শয্যার সংখ্যা পর্যাপ্ত করতে হবে। হাসপাতালগুলিকে আর কীকী লজিস্টিকস প্রয়োজন, সে ব্যাপারে নজর দিতে বলা হয়েছে। এছাড়াও হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর্মীদের বৃদ্ধির যদি কোনও প্রয়োজন হয়, সেব্যাপারেও আগে থেকে নজর দিতে বলা হয়েছে। এব্যাপারে হাসপাতালগুলিতে ড্রাই রান করা যেতে পারে বলেও বলা হয়েছে চিঠিতে।

ভ্যাকসিন ও বুস্টার ডোজ
ভ্যাকসিন নেওয়া এবং বুস্টার ডোজ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনাতা বৃদ্ধির ওপরে জোর দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত অনেকেই ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ নেননি। অনেকে আবার বুস্টার ডোজও নেননি। এব্যাপারে তাড়াতাড়ি ব্যবস্থাগ্রহণ করতে বলা হয়েছে।
এই মূহুর্তে বিশ্বে কোভিড সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে সব থেকে খারাপ অবস্থা চিনের। সেখানে দিনে প্রায় ৩.৭ কোটি মানুষের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত চিনে ২৪.৮ কোটি মানুষ অর্থাৎ প্রায় সেখানকার জনসংখ্যার প্রায় এক পঞ্চমাংশ ডিসেম্বরের প্রথম ২০ দিনে আক্রান্ত হয়েছেন।
চিনের অবস্থার প্রেক্ষিতে কেন্দ্রের তরফে রাজ্যগুলিকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থাগ্রহণ করতে বলা হয়েছে। এব্যাপারে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পর্যালোচনা সভা করেছেন। সেখানে কেন্দ্রের তরফে রাজ্যগুলিকে দেওয়া পরামর্শ ফের মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications