Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

কেএলও নেতা জীবন সিংয়ের আত্মসমর্পণ, দ্বিপাক্ষিক আলোচনার সম্ভাবনা অসমে

কেএলও নেতা জীবন সিংয়ের আত্মসমর্পণ, দ্বিপাক্ষিক আলোচনার সম্ভাবনা অসমে

কামতাপুর লিবারেশন অর্গানাইজেশন বা কেএলও নেতা জীবন সিংহ আত্মসমর্পণ করলেন। মঙ্গলবার নাগাল্যান্ডের মন জেলায় তিনি আত্মসমর্পণ করেন। তাঁর সঙ্গে ৬ জন কেএলও জঙ্গি আত্মসমর্পণ করেন এদিন। তাঁদের অসমে নিয়ে গিয়ে আলোচনা হবে রাজবংশীদের নিয়ে সমস্যা সমাধানের।

কেএলও নেতা জীবন সিংয়ের আত্মসমর্পণ, দ্বিপাক্ষিক আলোচনার সম্ভাবনা অসমে

এবারই নয়, দুদিন আগেও কেএলও প্রধান জীবন সিংয়ের আত্মসমর্পণের খবর রটেছিল। কামতাপুর রাজ্য গঠনের দাবিতে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া এই রাজবংশী নেতার আত্মসমর্পণের খবর এখনও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি। এখন তাঁর আত্মসমর্পণের ছবি প্রকাশ পেয়েছে কিছু সংবাদমাধ্যমে।

কামতাপুর লিবারেশন অর্গানাইজেশনের প্রধান জীবন সিং নাগাল্যান্ডের মন জেলায় আধাসামরিক বাহিনী অসম রাইফেলসের কাছে ৯ দলীয় সদস্যকে নিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন বলে জানা যাচ্ছে। তবে তিনি কবে আত্মসমর্পণ করেছেন এবং কোন প্রেক্ষিতে তিনি আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা স্পষ্ট হয়নি।

কেএলও নেতা জীবন সিংহের আত্মসমর্পণের পর তাঁকে অসমের কোনও নিরাপদ স্থানে রাখা হতে পারে। তাঁর সঙ্গে সেখানে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা চালানো হবে। অর্থাৎ কেএলও নেতা এতদিন যে পৃথক রাজ্যের দাবি চালিয়ে আসছিলেন, সে ব্যাপারে একটা মধ্যস্থতা করা হতে পারে।

এখন দেখার বিজেপি কেএলও নেতা জীবন সিংয়ের দাবি মেনে নিয়ে রাজ্য বিভাজনে সম্মত হয় কি না। কেএলও নেতা দীর্ঘদিন ধরে মায়ানমারের জঙ্গলে ছিলেন। সেখান থেকেই তিনি পশ্চিমবঙ্গ ও অসমের বোড়ো জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত জেলাগুলি নিয়ে পৃথক কামতাপুর রাজ্যের দাবিতে আন্দোলন করছিলেন। ১৯৯৫ সালে কেএলও গঠন করার থেকেই তিনি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত।

জানা গিয়েছে, মায়ানমারের জঙ্গলে লুকিয়ে থেকে তিনি মাঝেমধ্যে হিংসাত্মক ভিডিও ছড়িয়ে দিতেন। মুখ্যমন্ত্রীকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন। নানাভাবে হুমকি দিয়ে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করতেন। এ ছাড়া বহু প্রাণ তিনি নিয়েছেন। তাঁকে ১৯৯৯ সালে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তারপর মুক্ত হয়ে তিনি ভারত ছেড়েছিলেন। তিনি কখনও বাংলাদেশে, কখনও মায়ানমারে তিনি গা ঢাকা দিয়েছিলেন।

কয়েকদিন আগে এক বিবৃতিতে তিনি জানিয়েছিলেন, শীঘ্রই তিনি ভারতে প্রবেশ করবেন। ভারত সরকারের সঙ্গে তাঁর আলোচনা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার তাঁকে শান্তি আলোচনায় বসার প্রস্তাব দিয়েছিল। তিনি আলোচনায় বসার ব্যাপারে সম্মতিও জানিয়েছিলেন। শান্তি আলোচনারা প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। জীবন সিংয়ের এই বিবৃতি সামনে আসার পরই জল্পনা শুরু হয়। তিনি সদলবলে আত্মসমর্পণ করেন।

কেএলও প্রধান জীবন সিং আত্মসমর্পণ করলেও আর এক শীর্ষ নেতা পাভেল কোচ আতম্মসমর্পণ করেননি। এর থেকে মনে করা হচ্ছে জীবন সিং আত্মসমর্পণ করে আলোচনার টেবিলে বসলেও, আলোচনার ফলে যদি আশানুরূপ কিছু না হয়, তাহলে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার জন্য বর্ষীয়ান নেতা পাভেল কোচকে মায়ানমারে গোপন ডেরায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে রেখে দেওয়া হয়েছে।

এদিন জীবন সিংকে নিয়ে যে ১০ জন আত্মসমর্পণ করেছেন, তাঁদের কাছে কোনও অস্ত্রশস্ত্র ছিল না। অর্থাৎ অস্ত্র নিয়ে তাঁরা আত্মসমর্পণ করেননি। ফলে আলোচনা ফলপ্রসূ না হলে ফের জঙ্গি ক্রিয়াকলাপ চলতে পারে। এই রাস্তাও তাঁরা খোলা রেখেছেন। এদিন আত্মসমর্পণ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাকে ধন্যবাদ দিয়েছেন। আর এই আত্মসমর্পণকে গট-আপ কেস বলে বর্ণনা করেছে তৃণমূল।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+