Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

বিবিসি-র তথ্যচিত্র নিষেধাজ্ঞায় মামলা সুপ্রিম কোর্টে সময় নষ্ট করতেই! অভিযোগ আইনমন্ত্রীর

"সুপ্রিম কোর্টের মূল্যবান সময় নষ্ট করে হাজার হাজার সাধারণ নাগরিক ন্যায়বিচারের জন্য আদালতের তারিখ পাওয়া পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে।"

বিবিসির বিতর্কিত তথ্যচিত্রের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আদালতে যাওয়ার জন্য তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র-সহ অন্যান্যদের নিন্দা করেছেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী কিরেন রিজিজু। তিনি বলছেন, অযথা সুপ্রিম কোর্টের সময় নষ্ট করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, এদি্নই সুপ্রিম কোর্ট বিবিসির বিতর্কিতত তথ্যচিত্র সংক্রান্ত মামলা শুনতে সম্মত হয়।

সুপ্রিম কোর্ট মামলা শুনতে সম্মত হওয়ার পরই আইনমন্ত্রী কিরেন রিজিজু সরব হন। তিনি বলেন, বিবিসির বিতর্কিত তথ্যচিত্র সম্প্রচার নিয়ে নিষেধাজ্ঞাকে চ্যালেঞ্জ করে বেশ কিছু মামলা হয়েছে। কিন্তু সেগুলি শীর্ষ আদালতের সময় নষ্ট করা ছাড়া আর কিছু নয়। সুপ্রিম কোর্টে অযথা মামলা করা হচ্ছে।

Kiren Rijiju alleges against petitioners who move Supreme court against ban of BBC documentary

এরপরই টুইটারে প্রতিক্রিয়া জানান আইনমন্ত্রী রিজিজু। তিনি লেখেন, "এভাবে তারা সুপ্রিম কোর্টের মূল্যবান সময় নষ্ট করে হাজার হাজার সাধারণ নাগরিক ন্যায়বিচারের জন্য আদালতের তারিখ পাওয়া পিছিয়ে দিচ্ছেন। সুপ্রিম কোর্ট এই মামলা শুনতে চাওয়ায় কড়া প্রতিক্রিয়া দেন তিনি।

সোমবার প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বে একটি বেঞ্চ সাংবাদিক এন রাম এবং আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণের পক্ষে উপস্থিত আইনজীবী এম এল শর্মা এবং সিনিয়র অ্যাডভোকেট সি ইউ সিং-এর জমা দেওয়া পৃথক পিআইএলগুলির জরুরি তালিকা চেয়ে পাঠিয়েছে।

২০০২ সালের গুজরাত দাঙ্গা নিয়ে সম্প্রতি একটি তথ্যচিত্র বানিয়েছিল বিবিসি। তা সম্প্রসারিত হচ্ছিল ভারতের বিভিন্ন জায়গায়। সেই সম্প্রসারণের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রক ২০২৩ সালের ২১ জানুযারি নিষেধাজ্ঞা জারি কররা পর তা বাতিলের আবেদন জানানো হয় সুপ্রিম কোর্টে।

এদিন সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী এমএল শর্মা পিআইএল দায়ের করে জানান, এই নিষেধাজ্ঞাটিকে অপরাধী, স্বেচ্ছাচারী এবং অসাংবিধানিক। তিনি শীর্ষ আদালতকে বিবিসি ডকুমেন্টারির উভয় অংশ পরীক্ষা করার আবেদনও জানিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি গুজরাত দাঙ্গার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত লোকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জিও জানান।

তাঁর পিআইএল-এ অ্যাডভোকেট এমএল শর্মা একটি সাংবিধানিক প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। শীর্ষ আদালতে ২০০২ সালের গুজরাত দাঙ্গার খবর, তথ্য এবং প্রতিবেদন খতিয়ে দেখে ১৯ ধারার ১ ও ২ অনুচ্ছেদের অধীনে নাগরিকদের অধিকার আছে কি না তা সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

এই পিআইএল-এ বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে খর্ব করতে পারে। তা সংবিধানের ১৯ ধারার ১ ও ২ অনুচ্ছেদের অধীনে এই মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ভারতের সংবিধানের ৩৫২ অনুচ্ছেদের অধীনে জরুরি অবস্থা ঘোষিত না হলেও কেন্দ্রীয় সরকার তা কি প্রয়োগ করতে পারে?

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+