কেরলের বর্ষণে এখনও পর্যন্ত মৃত ৪২, ক্ষতি ২০০ কোটির বেশি! এখনও তিন জেলার জন্য জারি কমলা সতর্কতা
বিধ্বস্ত কেরল (Kerala)। এদিন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন (Pinarai Vijayan) জানিয়েছেন, ১১ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবরের মধ্যে কেরলে বৃষ্টি, বন্যা এবং ধসের কারণে মৃত্যু হয়েছে ৪২ জনের। ধ্বংস হয়ে গিয়েছে ২১৭ টি বাড়ি। আর ক্ষতি
বিধ্বস্ত কেরল (Kerala)। এদিন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন (Pinarai Vijayan) জানিয়েছেন, ১১ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবরের মধ্যে কেরলে বৃষ্টি, বন্যা এবং ধসের কারণে মৃত্যু হয়েছে ৪২ জনের। ধ্বংস হয়ে গিয়েছে ২১৭ টি বাড়ি। আর ক্ষতি হয়েছে ২০০ কোটি টাকার বেশি।

এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ ৬
কেরলে প্রবল বর্ষণে এখনও পর্যন্ত ৪২ দনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও, এখনও পর্যন্ত নিখোঁজের সংখ্যা ছয়। কেরলের বিভিন্ন জায়গায় গৃহহারাদের ৩০৪ টি ত্রাণ শিবিরে রাখা হয়েছে। বৃষ্টি-বন্যা-ধসের রেশ এখনও কাটেনি। সেই পরিস্থিতিতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আর্থিক সাহায্য শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে।

১১ অক্টোবর থেকে টানা বৃষ্টি
আরব সাগরে নিম্নচাপ আর তা থেকে ১১ অক্টোবর প্রবল বৃষ্টি শুরু হয় দক্ষিণের এই রাজ্যে। যা এখনও চলেছে। তবে ১৮ অক্টোবর থেকে বৃষ্টি কিছুটা কমেছে। প্রায় একই সময়ে তিনটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছিল। একটি তৈরি হয়েছিল দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর। সেটি তেলেঙ্গানায় চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আরেকটি তৈরি হয় ওড়িশা এবং বাংলার উপকূলে। অন্যদিকে প্রথম নিম্নচাপটির সময়েই অপর একটি নিম্নচাপ তৈরি হয় লাক্ষাদ্বীপ উপকূলের কাছে, আরব সাগরে। তবে বঙ্গোপসাগরের প্রথম নিম্নচাপের সঙ্গে আরব সাগরে তৈরি নিম্নচাপ এই দুয়ের জোড়া প্রভাব পড়ে কেরলে।

ক্ষতি ২০০ কোটির বেশি
কেরলের কৃষিমন্ত্রী পি প্রসাদ জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির যে রিপোর্ট পাওয়া গিয়েছে, তাতে রাজ্যের প্রায় ২০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। মন্ত্রী রাজ্যের আধিকারিকদের যাবতীয় ক্ষয়ক্ষতি হিসেব কষতে বলেছেন। কুট্টানাড, আলাপুঝা জেলায় ক্ষতির পরিমাণ ১৮ কোটি টাকা। মন্ত্রী জানিয়েছে, কেরলে কৃষিতে যে ক্ষতি হয়েছে তা পূরণের জন্য কেন্দ্রের কাছে বিশেষ সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

এখনও জারি কমলা সতর্কতা
আবহাওয়া দফতরের তরফে এর আগে ১১ টি জেলার জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কারণেই তা জারি করা হয়েছিল। তবে তা এই মুহূর্তে তুলে নেওয়া হয়েছে। জেলাগুলিতে মাঝারি বৃষ্টি হবে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে। ২১ অক্টোবরের জন্য মোট নটি জেলা থেকে কমলা সতর্কতা তুলে নিয়েছে আবহাওয়া দফতর। যদিও এখনও ইদুক্কি, কোট্টায়াম এবং পাথানামথিট্টায় বৃহস্পতিবারের জন্য কমলা সতর্কতা জারি রাখা হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের তরফে বলা হয়েছে, যাঁরা নিচু এলাকা, নদীর ধারে কিংবা পাহাড় এলাকায় থাকেন, তাঁদের অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
কেরল রাজ্য বিদ্যুৎ পর্যদ ইদুক্কি বাঁধের জল পেরিয়ার নদীতে ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে কোনও রকম বিদ্যুৎ উৎপাদন ছাড়াই। যার জেরে প্রতিদিন ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১০ কোটি টাকার মতো। এখনও পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় বাঁধের সাটার খুলে রাখা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications