ভারতের খুচরো মুল্যস্ফীতি নভেম্বরে ১১ মাসের সর্বনিম্ন, একনজরে সিপিআই রিপোর্ট
ভারতের খুচরো মুল্যস্ফীতি নভেম্বরে ১১ মাসের সর্বনিম্ন, একনজরে সিপিআই রিপোর্ট
ভারতের খুচরা মুল্যস্ফীতি নভেম্বরে এক ধাক্কায় অনেকটাই নেমে গিয়েছে। কনডিউমার্স প্রাইস ইনডেক্স বা সিপিআই রিপোর্টে জানানো হয়েছে, এই মুল্যস্ফীতি ১১ মাসের সর্বনিম্ন। কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স দ্বারা পরিমাপিত খুচরো মূল্যস্ফীতি নভেম্বরে নেমে আসে ৫.৮৮ শতাংশে নেমে এসেছে। সেইসঙ্গে ইন্ডেক্স অফ ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাকশনের পরিপ্রেক্ষিতে অক্টোবরে ৪ শতাংশ সঙ্কুচিত হয়েছে।

ভারতের খুচরো মূল্যস্ফীতি অক্টোবরে ৬.৭৭ শতাশ ছিল। নভেম্বরে তা নেমে আসে ৫.৮৮ শতাংশে। ভারতের মুদ্রাস্ফীতির ওই হার বিগত ১১ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। পৃথকভাবে ভারতের ফ্যাক্টরি আউটপুট ইনডেক্স অফ ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাকশনের মাধ্যমে পরিমাপ করে দেখা গিয়েছে অক্টোবরে চার শতাংশ সংকোচন হয়েছে। পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন মন্ত্রকের দ্বারা প্রকাশিত দুটি পৃথক তথ্য সোমবার প্রকাশিত হয়েছে।
খুচরো মুদ্রাস্ফীতি ২০২১ সালের ডিসেম্বরের পর থেকে সর্বনিম্ন স্তরে চলে এসেছে। সিপিআই ২০২২ সালের ক্যালেন্ডার বছরে প্রথমবারের মতো রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার ঊর্ধ্ব মার্জিনে ৬ শতাংশের নীচে এসেছে। সরকার কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ককে বাধ্যতামূলক করেছে ২০২৬ সালের মার্চে শেষ হওয়া পাঁচ বছরের মেয়াদে উভয় দিকে ২ শতাংশের মার্জিন-সহ খুচরো মুল্যস্ফীতি ৪ শতাংশে বজায় রাখা।
সিপিআই ডেটা কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক তার দ্বি-মাসিক মুদ্রানীতি তৈরি করার সময় ফ্যাক্টর করে। গত সপ্তাহে মনিটারি পলিসি কমিটি এমপিসি রেপো রেট ৩৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়ে ৬.২৫ শতাংশ করেছে। এ আর্থিক বছরে এখন পর্যন্ত এমপিসি ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য মূল সুদের হার ২২৫ বিপিএস বাড়িয়েছে।
গত সপ্তাহে এমপিসি সভার সিদ্ধান্তগুলি ঘোষণা করার সময়, আরবিআই গভর্নর শক্তিকান্ত দাস বলেন, ২০২৩ অর্থবর্ষে ৬.৭ শতাংশ অনুমান করেছে। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর ত্রৈমাসিকের জন্য সিপিআই মুল্যস্ফীতির পূর্বাভাস ৬.৫ শতাংশ থেকে ৬.৬ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। জানুয়ারি থেকে মার্চ ত্রৈমাসিকের পূর্বাভাস ৫.৮ শতাংশ থেকে ৫.৯ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। কনজিউমার ফুড প্রাইস ইনডেক্স হা সিএফপিআই অনুযায়ী মূল্যস্ফীতিও নভেম্বর মাসে ৪.৬৭ শতাংশে নেমে এসেছে। অক্টোবরে তা ৭.০১ শতাংশ ছিল।
মুলস্ফীতির হার একধাক্কায় এতখানি কমে যাওয়ায় ভারতের অর্থনীতি ফের ধাক্কা খেতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সেই কারণেই যাতে পরবর্তী মাসগুলিতে মুল্যস্ফীতি উন্নীত করা যায়, সে ব্যাপারে বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। ইতিমধ্যে ২০২৬-এর মার্চ পর্যন্ত একটা অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রস্তুত করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications