দেশে সবচেয়ে বেশি অ্যান্টিবডি কোথায়? আইসিএমআর এর সমীক্ষায় বড় তথ্য় উঠে এল
ভারতের কোন কোন জায়গায় কোভিডের অ্যান্টিবডি সবচেয়ে বেশি আর কোথায় কম তা নিয়ে একটি সেরো সার্ভে করে আইসিএমআর। দেখা গিয়েছে, অতিমারীর পর পর স্রোতে বিধ্বস্ত ভারতে বিভিন্ন জায়গায় তৈরি হয়ে গিয়েছে করোনার অ্যান্টিবডি।

দেশের ১১ টা রাজ্যে অন্তত দুই তৃতীয়াংশ জনসংখ্যার মধ্যে কোভিডের অ্যান্টিবডি তৈরি হয়ে গিয়েছে বলে দেখা গিয়েছে। যা নিঃস্দেহে একটি বড় তথ্য। ভারতের করোনার দ্বিতীয় স্রোতের পর এটি চমকপ্রদ তথ্য বলেও মনে করছেন অনেকে। আইসিএমআর এর সেরো সার্ভে অনুযায়ী ১৪ জুন থেকে ৬ জুলাইয়ের মধ্যে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে করোনার অ্যান্টিবডি প্রসঙ্গে সমীক্ষা করা হয়েছে। সেই সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে মধ্যপ্রদেশে সিরো প্রিভেলেন্স ( একটি নির্দিষ্ট এলাকায় ,নির্দিষ্ট প্যাথোজেনের নিরিখে তার পজিটিভিটির পরিসংখ্যান)৭৯ শতাংশ রয়েছে। যেখানে কেরলে ৪৪.৪ শতাংশ রয়েছে সেরো প্রিভেলেন্স। ফলে দেখা যাচ্ছে দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অ্যান্টিবডির পরিমাণ রয়েছে মধ্যপ্রদেশ। অন্যদিকে সবচেয়ে কম রয়েছে কেরলে। এদিকে, মহারাষ্ট্রে সেরোপ্রিভেলেন্স ৫৮ ও অসমে তা ৫০.৩ শতাংশ রয়েছে।
আইএসিএমআর কর্তৃক চতুর্থ রাউন্ডের জাতীয় সেরো সার্ভে করার পর দেশের ৭০ টি জেলার ভিতর থেকে একাদিক তথ্য বের করে এনেছে এই জাতীয় প্রতিষ্ঠান। রাজস্থানে সিরো প্রিভেলেন্স ৭৬.২, বিহারে ৭৫.৯, গুজরাতে ৭৫.৩, ছত্তিশগড়ে ৭৪.৬, উত্তরাখন্ডে ৭৩.১, উত্তর প্রদেশে ৭১, অন্ধ্রপ্রদেশে ৭০.২ শতাংশ রয়েছে। তামিলনাড়ুকে সিরোপ্রভেলেন্স ৬৮.১ ও কর্ণাটকে ৬৯.২ শতাংশ রয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে সমস্ত রাজ্যকে নিদের এলাকার সেরোপ্রিভেলেন্স খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। তার থেকে অ্যান্টিবডি সম্পর্কে আরও খতিয়ে কিছু জানা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। কোভিডের সংক্রমণ জাতীয় স্তরে কতটা পৌঁছেছে তা খতিয়ে দেখতেই এই সমীক্ষার প্রয়োজন বলে জানানো হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications