তাঁরা গান্ধী পরিবারের দাস! কংগ্রেসী মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টার মন্তব্যকে কটাক্ষ বিজেপির
তাঁরা গান্ধী পরিবারের দাস! কংগ্রেসী মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টার মন্তব্যকে কটাক্ষ বিজেপির
তিনি নিজে এবং অন্য কংগ্রেস (Congress) নেতারা গান্ধী পরিবারের (Gandhi family) দাস। মঙ্গলবার বিধানসভা অধিবেশনেই (assembly session) এমনটা মন্তব্য করলেন, রাজস্থানের কংগ্রেস (congress) বিধায়ক (mla) সানিয়াম লোধা। তিনি মরুরাজ্যের সিরোহি বিধানসভার সদস্য। তাঁর অপর পরিচয় রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের (Ashok Gehlot) অন্যতম পরামর্শদাতা (advisor)।

শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত গান্ধী পরিবারের দাসত্ব
রাজস্থান বিধানসভায় এদিন সেখানকার হরিদেব যোশী ইউনিভার্সিটি অফ জার্নালিজম অ্যান্ড মাস কমিউনিকেশন (সংশোধন) বিল ২০২২ নিয়ে বিতর্ক চলছিল। আলোচনার মধ্যেই উঠে আসেন সানিয়াম লোধা। তারপরেই তাঁকে বলতে শএানা যায়, হ্যাঁ আমরা দাস। এরপর তিনি বলেন, শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ না করা পর্যন্ত তাঁরা গান্ধী-নেহরু পরিবারের দাসত্ব করবেন। তিনি আরও বলেন, এই দেশ তৈরি করেছে নেহরু-গান্ধী পরিবার। এদিন পরে অবশ্য হরিদেব যোশী ইউনিভার্সিটি অফ জার্নালিজম অ্যান্ড মাস কমিউনিকেশন (সংশোধন) বিল ২০২২ ধ্বনী ভোটে পাশ হয়ে যায়।

বিজেপির কটাক্ষ
সানিয়াম লোধা কংগ্রেসিদের দাস হিসেবে ব্যাখ্যা করার সঙ্গে সঙ্গে কটাক্ষ করেন, রাজ্যস্থানের বিরোধীদলের উপনেতা রাজেন্দ্র রাঠোর। তিনি বলেন, এটা নতুন সংস্কৃতি। দাসত্বের জন্য তিনি সানিয়াম লোধাকে অভিনন্দন জানান তিনি। রাজেন্দ্র রাঠোর আরও বলেন, 'গুলাম'রা তাঁদের মনে কথা বলতে পারেন না।

কংগ্রেস মনোনয়ন দেয়নি
হট্টগোলের মধ্যে বিজেপি বিধায়ক কালীচরণ সরাফ কটাক্ষ করেন বলেন, এত দাসত্বের পরেও কংগ্রেস তাঁকে (সানিয়াম লোধা) মনোনয়ন দেয়নি। প্রসঙ্গত ২০১৮ সালে রাজস্থানের বিধানসভা নির্বাচনে নির্দল প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন সানিয়াম লোধা। জেতার পরে তিনি কংগ্রেসকে সমর্থন করেন। সাম্প্রতিক সময়ে তাঁকে মুখ্যমন্ত্রীর অন্যতম উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

আপাতত কংগ্রেস পরিবর্তন হবে না
এদিকে কংগ্রেস সভানেত্রী জানিয়েছেন আপাতত কংগ্রেসে বড় কোনও পরিবর্তন করা হচ্ছে না। পরবর্তী সভাপতি নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত কোনও পরিবর্তন হবে না। প্রসঙ্গ কংগ্রেসের জি-২৩ গোষ্ঠীর নেতারা দলে সাংগঠনিক পরিবর্তনের দাবি করেছিলেন। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, সনিয়া গান্ধী বলেছেন, এই বছরের অগাস্ট- সেপ্টেম্বরে দলের সভাপতি নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত সংগঠনে বড় পরিবর্তন সম্ভব নয়। এদিনই সনিয়া গান্ধী নিজের বাসভবনে জি-২৩ গোষ্ঠীর নেতা হিসেবে পরিচিত মনীশ তিওয়ারি, আনন্দ শর্মা এবং বিবেক তংখার সঙ্গে দেখা করেন। এই তিন নেতা দলের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের অভাবের উল্লেখ করে বলে জানা গিয়েছে। তাঁরা আরও বলেছেন, কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদকরা রাহুল গান্ধীর নামে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।












Click it and Unblock the Notifications