লক্ষ্য অভয়ারণ্যে পাখি সংরক্ষণ! এই রাজ্যের সাতটি গ্রামে নীরব দীপাবলি উদযাপন
আতসবাজি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যর্থ কলকাতা পুলিশ, একই চিত্র দিল্লিতেও। রাত বাড়তেই দেদার শব্দবাজি ফেটেছে। তবে দেশের এমন অংশও রয়েছে, যেখানে নীরব দীপাবলি পালন করা হয়। তামিলনাড়ুর ইরোড জেলায় কাছাকাছি অভয়ারণ্য থাকায় সাতটি গ্রাম কোনও শব্দ বাজি ছাড়াই এই উৎসব পালন করে থাকে।
ভাদামুগাম ভেলোডের আশপাশে গ্রামগুলি অবস্থিত। যার দূরত্ব ইরোড থেকে ১০ কিমি দূরে। সেখানেই হাজার হাজার স্থানীয় পাখি এবং অন্য অঞ্চল থেকে পরিযায়ী পাখিরা অক্টোবর থেকে জানুয়ারির মধ্যে এই অভয়ারণ্যে ডিম পাড়তে ও বাচ্চা ফোটাতে আসে।

যেহেতু দীপাবলি সাধারণভাবে অক্টোবর কিংবা নভেম্বরেই পড়ে, সেই কারণে অভয়ারণ্যের আশপাশে বসবাসকারী প্রায় হাজার পরিবার পাখিদের বাঁচাতে শব্দবাজি না ফাটানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত ২২ বছর ধরে এই পদ্ধতি অবলম্বন করে চলেছেন সেখানকার গ্রামবাসীরা। এই বছরেও সেল্লাপ্পালামায়ম, ভাদামুগাম ভেলোদে, সেমান্ডামপালায়ম, কারুকঙ্কাটটু, ভালসু, পুঙ্গাম্পাদি এবং আরও দুটি গ্রামে নীরব দীপাবলি পালন করা হয়েছে।
গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, দীপাবলির সময় তারা বাচ্চাদের নতুন জামাকাপড় কিনে দেন। কিন্তু শব্দবাজি কিনে দেন না। যেসব বাজিতে শব্দ হয় না, সেই জিনিস বাচ্চাদের হাতে তুলে দেন। পরিবারগুলি সেখানে আনন্দের সঙ্গে নিজস্ব উপায়ে দীপাবলি উদযাপন করছে। অন্যদিকে হাজার হাজার পাখি অভয়ারণ্যে নিরাপদ ও আনন্দের সঙ্গেই রয়ে গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications