দক্ষিণে মেয়েরা শিক্ষিত, উত্তরে দাসের মতো রাখা হয়, বিতর্কে ডিএমকে নেতার মন্তব্য
শিক্ষা ও ভাষা নীতি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক ছড়াল দক্ষিণের রাজনীতি থেকে। কেন্দ্রীয় মঞ্চে এবার সরব হলেন ডিএমকে সাংসদ দয়ানিধি মারান। তাঁর অভিযোগ দেশের কিছু রাজ্য শুধু হিন্দি শেখাতেই উৎসাহ দেয়, ইংরেজি শিক্ষা নিরুৎসাহিত করা হয়। ফলত সেই অঞ্চলে কর্মসংস্থান কমে, বহু শিক্ষিত তরুণ তরুণী কাজের সন্ধানে দক্ষিণ ভারতের রাজ্যে চলে আসতে বাধ্য হন।
এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মারান বলেন, "তোমাদের ইংরেজি পড়তে দেওয়া হয় না। বলা হয়, পড়লে নাকি সর্বনাশ হবে! পরে দক্ষিণে এসে দাসের মতো কাজ করতে হয়।" তাঁর এই মন্তব্যে আবার উসকে উঠেছে হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার বিতর্ক।

মারানের দাবি, তামিলনাড়ুর শিক্ষা নীতি ও দ্রাভিয়ান মডেল রাজ্যের অর্থনৈতিক অগ্রগতির বড় কারণ। দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে শিক্ষার প্রসার ও সমান সুযোগের ফলে মেয়েদের সাক্ষরতা ও চাকরির সুযোগ বেড়েছে। তাঁর কথায়, "আজ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলি তামিলনাড়ুতেই বিনিয়োগ করছে, কারণ এখানে শিক্ষিত মানুষ রয়েছে।"
এদিকে মারানের মন্তব্য ঘিরে সরব বিজেপি। দলের নেতা তিরুপতি নারায়ণন বলেন, "দয়ানিধি মারানের কোনো সাধারণ জ্ঞানই নেই। দেশের হিন্দিভাষী মানুষকে অপমান করা হয়েছে। তাঁর ক্ষমা চাওয়া উচিত।"
পাল্টা মারানের পাশে দাঁড়িয়েছে ডিএমকে শিবির। দলের নেতা টি কে এস এলঙ্গোভানের মন্তব্য, "উত্তরে নারীর শিক্ষার জন্য লড়াই করার মতো কেউ নেই। কংগ্রেস বা ডিএমকে ক্ষমতায় থাকলে শিক্ষা ও কর্মসংস্থানে মহিলারা এগিয়ে যান।"
ভাষা, রাজনীতি ও শিক্ষানীতি নিয়ে এই নতুন বাক বিতণ্ডা যে আগামদিনে আরও তীব্র হবে, তা বলাই বাহুল্য। বিতর্কের কেন্দ্রে এখন একটাই প্রশ্ন শিক্ষা কি ভাষার বাধার গণ্ডিতে আটকাবে, নাকি কর্মসংস্থানই বলবে শেষ কথা?












Click it and Unblock the Notifications