উত্তরপ্রদেশে কৃষক মৃত্যু! বিকেইউ নেতার গ্রেফতারিতেই নতুন করে চাপ বাড়ছে সরকারের উপর
উত্তরপ্রদেশে কৃষক মৃত্যু! বিকেইউ নেতার গ্রেফতারিতেই নতুন করে চাপ বাড়ছে সরকারের উপর
উত্তরপ্রদেশের লখিমপুরে কৃষক মৃত্যুর ঘটনায় গত দুদিন ধরেই উত্তাল দেশের রাজ্য-রাজনীতি। এদিকে শুরুর থেকেই এই ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে ভারতীয় কিষান ইউনিয়ন বা বিকেইউ। এমনকী আন্দোলন চলাকালীন সময়েই বিকেইউ নেতা গুরনাম সিং চরনিকে গ্রেফতার করে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। যা নিয়েও বাড়তে থাকে উত্তেজনা। যদিও বর্তমানে ওই কৃষক নেতাকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ।

চারনির গ্রেফতারিতেই নতুন করে উত্তেজনা
মিরাটে আন্দোলন চলাকালীন সময়ে চারনিকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। সেই সময় তিনি লখিমপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলনে বলে খবর।এদিকে এই লখিমপুরেই ২ কৃষকের মৃত্যুর পর জ্বলে ওঠে গোটা এলাকা। দিকে দিকে পুলিশ জনতা খণ্ড যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। ওই সংঘর্ষে ৪ কৃষক সহ মোট ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রতিবাদী কৃষকদের গাড়ি চাপা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রর ছেলের বিরুদ্ধে। এদিকে এই ইস্যুতে গতকাল থেকেই কেন্দ্রের উপর চাপ বাড়াচ্ছিল কংগ্রেস। পরবর্তীতে চারনির মতো নেতার গ্রেফতারিতে চরমে ওঠে উত্তেজনা।

চাপ বাড়াচ্ছিল কংগ্রেসও
এদিকে এই ঘটনার প্রতিবাদে কংগ্রেস আন্দোলনের রাস্তায় হাঁটলে গ্রেফতার করা হয় কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকেও। এদিকে উত্তরপ্রদেশ তাঁকে পুলিশ আটক করার কয়েক ঘণ্টা পরে, পাঞ্জাবের উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুখজিন্দর সিং রন্ধাওয়া এবং অন্যান্য বিধায়কদেরও আটক করা হয়েছিল। প্রকৃতপক্ষে, রন্ধাওয়া এবং তাঁর সঙ্গে অন্যান্য বিধায়করা লখিমপুর খেরিতে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে জানা যায়। এদিকে এর আগের দিন, পাঞ্জাব কংগ্রেস নেতা নভজ্যোত সিং সিধুকেও চণ্ডীগড় পুলিশ হেফাজতে নিয়েছিল। সেই সময় সিধু সিধু কংগ্রেস কর্মীদের সঙ্গে রাজ্যপালের বাসভবনের বাইরে অবস্থান করছিলেন বলে জানা যায়।

ক্রমেই আন্দোলনের তেজ বাড়াচ্ছিল কৃষকেরা
এদিকে চারনীকে গ্রেফতারির পরেই আরও আন্দোলনের তেজ বাড়িয়ে দেয় বিকেইউ। এমনকী মঙ্গলবার সকালের মধ্যেই তাঁকে ছাড়া না হলে হরিয়ানার সমস্ত মহাসড়ক অবরোধ করার হুমকি দিয়েছিল কৃষক সংগঠনগুলি। এমনকী চারনির গ্রেফতারের পর কৃষকরা গতকাল সন্ধ্যায় হরিয়ানা জুড়ে বেশ কয়েকটি জাতীয় ও রাজ্য মহাসড়ক অবরোধ করতে শুরু করেছিল বলেও জানা যায়। আর তাতেই চাপ বাড়ে উত্তরপ্রদেশ সরকারের উপর।অনেকেই বলছেন সেই কারণেই একপ্রকার বাধ্য হয়ে তাঁকে ছাড়ে পুলিশ।

চাপ বাড়ছিল সরকারের উপর
অন্যদিকে চারনির গ্রেফতারির পর রাজ্যে ক্ষমতাসীন বিজেপি এবং জেজেপি-র বিধায়কদের বাড়ির বাইরেও কৃষকরা জড়ো হতে শুরু করেছিল। কর্ণালে মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টরের বাড়ির বাইরেও বিপুল সংখ্যক কৃষক জড়ো হতে শুরু করে বলে জানা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশাল সংখ্যক পুলিশও মোতায়েন করে হরিয়ানা প্রশাসন।












Click it and Unblock the Notifications