একই অপরাধে সবার একই সাজা পাওয়া উচিত! হায়দরাবাদে এনকাউন্টার নিয়ে সোচ্চার এক অভিযুক্তের বাবা
তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে গুরুতর অবিচার করা হয়েছে। শুক্রবারের এনকাউন্টারের পর এমনটাই অভিযোগ করলেন, হায়দরাবাদ ধর্ষণে অভিযুক্ত আর এনকাউন্টারে মৃত ৪ জনের পরিবারের সদস্যরা।
তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে গুরুতর অবিচার করা হয়েছে। শুক্রবারের এনকাউন্টারের পর এমনটাই অভিযোগ করলেন, হায়দরাবাদ ধর্ষণে অভিযুক্ত আর এনকাউন্টারে মৃত ৪ জনের পরিবারের সদস্যরা। আরও অভিযোগ, ভুয়ো এনকাউন্টারে পুলিশ তাদের পরিবারের সদস্যদের হত্যা করেছে। পরিবারের সদস্যরা বলছেন, আদালতের নির্দেশ মেনে জেলে রেখে তাদের শাস্তি দেওয়া যেত।

এনকাউন্টারে মৃত বছর ২০-র চেন্নাকেশভুলুর স্ত্রী রেণুকা কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। এক জনের হত্যার জেরে চারজনকে হত্যা করাটা অবিচার। তাকেও সেখানে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হোক। রেণুকা সন্তান সম্ভাবা বলে জানা গিয়েছে। তিনি দাবি করেছন, পুলিশকর্মীরা তাঁর স্বামীকে আশ্বাস দিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন, প্রশ্নের পর ফিরিয়ে আনা হবে।
রেণুকা বলেন, জেলের ভিতরে একইধরনের অপরাধ যকন পুলিশকর্মীরা করেন, তখন কোন পরিস্থিতি তৈরি হয়। রেণুকার বাবা মা কেউ নেই। নারায়ণপেট জেলার মাকথাল ব্লকের গুডিগাণ্ডলা গ্রামের বাসিন্দা চেন্নাকেশভুলু অভিযুক্ত চারজনের মধ্যে একমাত্র বিবাহিত ছিল।
চেন্নাকেশভুলুর মা জয়াম্মার প্রশ্ন, তাকে (চেন্নাকেশভুলু) হত্যা করা কি জরুরি ছিল।
মূল অভিযুক্ত মহম্মদ আরিফের মা মাউলা বি-র অভিযোগ, তাঁর ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ তাঁর ছেলেকে মেরে ভুল কাজ করেছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
অপর অভিযুক্ত জল্লু শিবার বাবা রামাপ্পা পুলিশের এনকাউন্টার থিওরি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর অভিযোগ পুলিশ ছেলেকে হত্যা করেছে। এবার সারা দেশে একই অপরাধ যারা করেছে, তাদেরও একইভাবে হত্যা করা হোক। দাবি তুলেছেন তিনি। রামাপ্পা বলেছেন, তিনি ছেলের অপরাধকে অনুমোদন করেন না। কিন্তু সবারই একই সাজা পাওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications