Hyderabad: বাপেরবাড়ি যাওয়া নিয়ে ঝগড়া, স্ত্রীকে খুনের পর কেটে সেদ্ধ করে ঝিলে দেহাংশ ফেলল স্বামী! গ্রেফতার
Hyderabad: দাম্পত্য কলহ থেকে স্ত্রীকে নৃশংসভাবে খুন (Husband murders wife)। তারপর দেহ কুচি কুচি করে প্রেসার কুকারে সেদ্ধ করলেন স্বামী। দেহ লোপাট করতে অবশিষ্টাংশ ফেলে এলেন ঝিলে। অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মীর কীর্তি শুনে শিউরে উঠছে পুলিশও। খুনের কথা নিজ মুখেই কবুল করেছে অভিযুক্ত। ঘটনা তেলেঙ্গানার হায়দরাবাদের মিরপেট থানা এলাকার।
স্থানীয় পুলিশ ইনস্পেক্টর নাগারাজু জানান, প্রায় ১০ বছরের বৈবাহিক সম্পর্ক তাদের। অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাকাশম জেলার বাসিন্দা ওই দম্পতি। বছর পঁয়ত্রিশের ওই মৃতার নাম মাধবী। অপরদিকে, অভিযুক্ত স্বামী হলেন গুরুমূর্তি। গত ১৬ জানুয়ারি তাদের মধ্যে দাম্পত্যগত কলহ বাঁধে।

সকাল ৮টা নাগাদ অশান্তির জেরে ঘর ছেড়ে কাউকে কিছু না বলেই বেরিয়ে যান মাধবী। এরপর থেকে আর বাড়ি ফেরেননি তিনি। থানায় অভিযোগ দায়ের করেন মৃতার মা। এরপরই সামনে আসে গোটা ঘটনা। মৃতার মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ জানিয়েছে, নিখোঁজ থাকার পর পরিবারের লোকেরা হন্যে হয়ে খুঁজেও মাধবীকে পাননি।
পরে ফিরে আসলে বাপেরবাড়ি যেতে চেয়েছিলেন মাধবী। আর তাতেই ক্রোধের বশে স্ত্রীকে খুন করেন গুরুমূর্তি। খুনের অভিযোগে তাঁর স্বামীকে গ্রেফতার করা হলে স্ত্রীকে খুনের কথা কবুল করে অভিযুক্ত। পুলিশ আরও জানিয়েছে,পাঁচ বছর ধরে হায়দরাবাদের জিল্লেলাগুড়া এলাকায় থাকতেন ওই দম্পতি। তাঁদের দুই সন্তানও রয়েছে।
পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে প্রাক্তন সেনাকর্মী (Ex Army) গুরুমূর্তি জানিয়েছেন, তিনি কাঞ্চনবাগে সিকিউরিটি গার্ডের কাজ করতেন। গত ১৬ জানুয়ারি স্ত্রীয়ের সঙ্গে ঝামেলা হয়। ১৮ জানুয়ারি তাঁর শাশুড়ি উপালা সুবাম্মা থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন।
ঝগড়ার আক্রোশ ছিলই। তারপর সেই রাগের বশেই স্ত্রীকে নৃশংসভাবে খুন করেন গুরুমূর্তি। বর্তমানে তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে পুলিশ। গুরুমূর্তি জানান, দেহ লোপাট করতে কুচি কুচি করে সেদ্ধ করেছিলেন তিনি। পাউডারের মতো মিশিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। যদিও তাঁর বয়ানের সত্যতা খুঁটিয়ে দেখছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনায় আরও প্রমাণ জোগাড়ের চেষ্টা করছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।












Click it and Unblock the Notifications