আপের মহিলা প্রার্থীদের জয়জয়কার, ৯ জনের ৮ জনই এবার বিধানসভায় নির্বাচিত
দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে আম আদমি পার্টির নয় জন মহিলা প্রার্থীর মধ্যে আটজন জয় পেয়েছেন। মহিলা প্রার্থীদের এই সাফল্যের খতিয়ান বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে আম আদমি পার্টির নয় জন মহিলা প্রার্থীর মধ্যে আটজন জয় পেয়েছেন। মহিলা প্রার্থীদের এই সাফল্যের খতিয়ান বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। উল্লেখ্য, দিল্লির নির্বাচনে তিন শীর্ষস্থানীয় দল- আপ, বিজেপি ও কংগ্রেস সর্বমোট ২৪ জন মহিলা প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছিল। কংগ্রেস সর্বাধিক ১০ জন মহিলা প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়।

আম আদমি পার্টি ৯ জন মহিলা প্রার্থীকে টিকিট দেয়। বিজেপি পাঁচজনকে টিকিট দিয়েছিল। তবে সাফল্যের নিরিখে আপ অনেক এগিয়ে। ৯ জনের মধ্যে জয় পান ৮ জন। অর্থাৎ এবার দিল্লি বিধানসভায় আটজন মহিলা বিধায়ক থাকছেন আপের।
এবার দিল্লি বিধানসভায় মূলত লড়াই হয়েছিল আপ এবং বিজেপির। মোট ৬৭২ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫৯৩ জন পুরুষ ও ৭৯ জন মহিলা প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হয় এই নির্বাচনে। ২০১৫ সালের নির্বাচনে আপ, বিজেপি এবং কংগ্রেসের মোট ৬৬ জন মহিলা লড়াইয়ে অংশ নিয়েছিল। যার মধ্যে ১৯ জন নির্বাচিত হয়েছিলেন
দিল্লি পূর্ব কেন্দ্র থেকে আপের অতীশিকে বিধায়ক নির্বাচিত হন। তাঁকে অবতার সিং কালকের জায়গায় টিকিট দেওয়া হয়েছিল। তিনি এই আসনটি ১১,৩০০ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। দিল্লি কংগ্রেসের প্রধান সুভাষ চোপড়ার মেয়ে শিবানীও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তিনি মোট ভোটের ৪.৬৪ শতাংশ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন এবং তাঁর জামানত জমানো করতে হয়।
নির্বাচনের আগে কংগ্রেস ছেড়ে আপে যোগ দেওয়া ধনওয়াতি চান্দেলা রাজৌরি গার্ডেন আসনে বিজেপির রমেশ খান্নাকে ২২,৯৭২ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। নির্বাচনের আগে আপে যোগ দেওয়া আরেক প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা রাজকুমারী ধীলন হরিনগর আসন থেকে বিজয়ী হন। বিজেপির তাজিন্দর পাল সিং বাগ্গাকে ২০ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন তিনি।
আপের বন্দনা কুমারী শালিমার বাগের আসনটি ধরে রাখেন। আরেক মহিলা প্রার্থী বিজেপির রেখা গুপ্তকে ৩,৪০০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। আপের প্রীতি তোমার বিজেপির তিলক রাম গুপ্তকে ১০ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। আপের ভাবনা গৌড় পালাম আসনে বিজয়ী হন। বিজেপির বিজয় পণ্ডিতকে ৩২ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন তিনি।
অপের প্রমিলা টোকাস আরকে পুরাম আসনে বিজয়ী হন বিজেপির অনিল কুমার শর্মাকে ১০ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে। আর এক আপ প্রার্থী রাখি বিড়লা বিজেপির করম সিং কর্মকে পরাজিত করেন ৩০ হাজারেরও বেশি ভোটে। অলকা লাম্বা চাঁদনী চক থেকে আপ বিধায়ক ছিলেন, তিনি কংগ্রেসে যোগ দিয়ে জামানত জব্দ হন।
বিজেপির সুমনকুমার গুপ্তকে পরাজিত করে চাঁদন চক আসনে জেতেন আপের পার্লাদ সিং সওহনি। আপের সরিতা সিংহ রোহতাস নগর থেকে ১৩,২৪১ ভোটের ব্যবধানে বিজেপির জিতেন্দ্র মহাজনের কাছে হেরেছিলেন। কংগ্রেসের প্রচার কমিটির প্রধান কীর্তি আজাদের স্ত্রী পুনম সঙ্গম বিহার আসন থেকে চতুর্থ স্থানে ভোটের দৌড় শেষ করেছেন।












Click it and Unblock the Notifications