বাংলার পর এবার মহারাষ্ট্র, টেটে বিরাট দুর্নীতি নিয়ে মামলা দায়ের ইডির
পশ্চিমবঙ্গে টেট দুর্নীতি বিশাল আকার ধারন করেছে। গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। প্রত্যেক দিন তাদের কড়া জেরা চলছে। এবার খবর মিলছে যে সিবিআইও এই পর্বে প্রবেশ করবে। আবার পিছনে রয়েছে কলেজ শিক্ষা দফতর নিয়ে সমস্যাও। এমন সময়ের মধ্যে এবার টেট দুর্নীতির নয়া গল্পের খবর মিলছে মহারাষ্ট্র থেকে।

মহারাষ্ট্রে টেটে কেলেঙ্কারি
এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট মহারাষ্ট্রে টেট (শিক্ষক নিয়োগ যোগ্যতা পরীক্ষা) কেলেঙ্কারির মামলায় একটি আর্থিক তছরুপের মামলা নথিভুক্ত করেছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা শিক্ষক যোগ্যতা পরীক্ষার অসদাচরণের ক্ষেত্রে তদন্ত শুরু করেছিল।

কী বলছে পুলিশ
এর আগে, পুনের পুলিশ কমিশনার অমিতাভ গুপ্ত বলেছিলেন যে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট টিইটি কেলেঙ্কারির মামলায় নথি চেয়েছিল যা সাইবার পুলিশ এবং অর্থনৈতিক অপরাধ শাখা দ্বারা তদন্ত করা হয়েছিল। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা টিইটি কেলেঙ্কারির নথি চেয়েছিল এবং এখন তদন্ত শুরু করেছে। মামলার সাথে সম্পর্কিত নথি পাওয়ার একদিন পরে, ইডি টেট কেলেঙ্কারিতে একটি আর্থিক তছরুপের মামলা নথিভুক্ত করেছে।

বাংলায় এসএসসি কেলেঙ্কারি
এদিকে পশ্চিমবঙ্গে, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং তার সহযোগী, অর্পিতা মুখার্জিকে, স্টাফ সিলেকশন কমিশন (এসএসসি) কেলেঙ্কারির মামলায় কলকাতার একটি বিশেষ আদালত ১৪ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের একটি আবেদনে, বিশেষ পিএমএলএ আদালতের বিচারক জীবন কুমার সাধু পার্থ চ্যাটার্জি এবং অর্পিতা মুখার্জির ১৪ দিনের বিচার বিভাগীয় রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

ইডি-এর রিমান্ডে
পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অর্পিতা মুখোপাধ্যায় দুজনেই ২৩ জুলাই তাদের গ্রেপ্তারের পর থেকে ইডি-এর রিমান্ডে রয়েছেন৷ পশ্চিমবঙ্গ সরকার-স্পন্সর এবং সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলগুলির জন্য এসএসসি দ্বারা বেআইনি নিয়োগের ক্ষেত্রে অর্থ লেনদেনের তদন্তের জন্য তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল৷ এই কেলেঙ্কারির সময় পার্থ চট্টোপাধ্যায় ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী।
সংস্থাটি অর্পিতা মুখার্জির মালিকানাধীন দুটি অ্যাপার্টমেন্টে অভিযান চালিয়ে নগদ, গহনা এবং সোনার বার ৪৯.৮০ কোটি টাকা জব্দ করার পরে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। অ্যাপার্টমেন্ট থেকে সম্পত্তি এবং যৌথ মালিকানাধীন একটি কোম্পানির নথিও উদ্ধার করা হয়েছে।
তাদের সম্পত্তির হিসেবের কোনেও কুলকিনারা পাচ্ছেন না ইডি অফিসাররা। অর্পিতার জীবনবিমার খতিয়ান দেখে চমক উঠেছেন তাঁরা। ৩১টি জীবন বিমান বা এলআইসি পলিসি রয়েছে অর্পিতার। তার জন্য বছরে ৫০ হাজার টাকার প্রিমিয়াম দিতেন তিনি। এই ৩১ টি এলআইসি পলিসির প্রতিটির নমিনি কিন্তু পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ৭১ বছরের পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নমিনি করা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে ইডি আধিকারীকদের। তাহলে কি কালো টাকা সাদা করার জন্যই এই বিমাগুলি করেছিলেন অপা।












Click it and Unblock the Notifications