দিল্লি বিধানসভায় তাড়া তাড়া নোট হাতে আম আদমি পার্টির বিধায়ক! কারণ চমকে দেবে
দিল্লি বিধানসভাতে চাঞ্চল্যকর ঘটনা! একেবারে তাড়া তাড়া নোট হাতে আম আদমি পার্টির বিধায়ক! আর তা দেখে একেবারে চমকে উঠলেন অন্যান্যরা। কিন্তু কেন এত টাকা হাতে ওই আপ বিধায়ক মাহিন্দর গোয়েল! তাঁর কথায়, তাঁকে মোটা অঙ্কের ঘুষ দেওয়া
দিল্লি বিধানসভাতে চাঞ্চল্যকর ঘটনা! একেবারে তাড়া তাড়া নোট হাতে আম আদমি পার্টির বিধায়ক! আর তা দেখে একেবারে চমকে উঠলেন অন্যান্যরা। কিন্তু কেন এত টাকা হাতে ওই আপ বিধায়ক মাহিন্দর গোয়েল! তাঁর কথায়, তাঁকে মোটা অঙ্কের ঘুষ দেওয়া হয়েছে। এমনকি তাঁর প্রাণনাশের হুমকি রয়েছে বলেও অভিযোগ আপ নেতার। তাঁকে নানা ভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও মারাত্মক অভিযোগ।

আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
আপ বিধায়কের কথায়, বাবা সাহেব আম্বেদকর হাসপাতালে নানা ক্ষেত্রে নিয়োগের জন্য টেন্ডার বের হয়। কিন্তু সরকারের নিয়ম রয়েছে পুরানো ৪০ শতাংশ কর্মীদের রাখতে হবে। কিন্তু তা হয় না। মোটা অঙ্কের টাকা তোলা হয় বলে দাবি আপ বিধায়কের। অনেক শ্রমিক চাকরি পেয়েও সম্পূর্ণ বেতন পান না। ঠিকাদাররা বড় অংশের টাকা নিজেরাই নিয়ে নেয় বলে দাবি ওই বিধায়কের। সম্প্রতি এই বিষয়ে হাসপাতালে ধর্মঘট ডাকা হয়। এমনকি তা নিয়ে মারপিঠের ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ।
আর এই বিষয়ে ডিসিপিকে অভিযোগ জানিয়েছিলাম বলে জানান ওই আপ নেতা। শুধু তাই নয়, রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং রাজ্যপালের কাছেও অভিযোগ করেন বলে জানিয়েছেন মাহিন্দর গোয়েল। যদিও আমাকে সেটিংয়ে যাওয়ার কথা বলা হয় বলে অভিযোগ তাঁর!
আর তাই পুরো ঘটনার সূত্রে পৌঁছানোর জন্যে আমি সেটিং করি আর ডিসিপিকে জানাই যে, ১৫ লাখ টাকা ঘুষ হিসাবে আমাকে দেওয়া হচ্ছে। আমি তাঁদের হাতেনাতে ধরতে চাই। এই বিষয়ে পুলিশকে জানানোর পরেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে মারাত্মক অভিযোগ আপ নেতার। তাঁর মতে, আমি প্রাণ হাতে এই বিষয়ে কাজ করছি। কিন্তু যে কোনও মুহূর্তে আমাকে খুন করা হতে পারে বলেও আশঙ্কা ওই আপ নেতার। এই বিষয়ে দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়েছে ওই ব্যক্তি।
পরে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ওই আপ নেতা আরও জানিয়েছে, আম্বেদকার হাসপাতালে নানা ভাবে দুর্নীতি হচ্ছে। আর যখনই এই বিষয়ে গর্জে উঠছি তো তখনই সেটিং করার কথা বলা হচ্ছে বলে দাবি ওই আপ নেতার। আর তা করলে সঙ্গে সঙ্গে ১৫ লাখ টাকা ঘুষের চলে এল বলে দাবি তাঁর।
এমনকি তিন লাখ টাকা পর্যন্ত টোকেন মানি হিসাবে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি গোয়েলের। ঘুষ দেওয়া নিয়ে দিল্লি পুলিশ, ACB, LG সবাইকে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা আমি জানিয়েছি, কিন্তু কেউ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ আপ নেতার। আর সেই কারনেই বিধানসভাতে আমি এভাবে টাকা দেখাই। এই বিষয়ে গভীরে গিয়ে তদন্ত করানো উচিৎ বলে দাবি মাহিন্দর। তবে এই কেলেঙ্কারিতে অনেকেই জড়িত বলে দাবি। তাঁর।












Click it and Unblock the Notifications