উত্তরপ্রদেশে বন্যায় মৃত বেড়ে ২৮, দুর্গত উত্তরাখণ্ডও

গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে রাজ্যের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বহরাইচ, লখিমপুর খেরি, সীতাপুর, বড়াবাঁকি, বলরামপুর, শ্রাবস্তী, গোন্ডা, ফৈজাবাদ ও সিদ্ধার্থনগর জেলার অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। রাপ্তি, সরযূ এবং ঘর্ঘরা নদী বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে। কিছু জায়গায় গঙ্গা নদীও বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে। গঙ্গার জল ঢুকে প্লাবিত হয়েছে এলাহাবাদের একাংশ। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মুষলধারে বৃষ্টি আরও অন্তত কয়েকদিন চলবে। সুতরাং অবস্থা যে আরও খারাপ হবে, তা বোঝাই যাচ্ছে।
রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, দু'দিন আগে নেপাল তাদের বনবাসা জলাধার থেকে দেড় লক্ষ কিউসেক জল ছাড়ে। তাতেই রাপ্তি নদী উপচে গিয়ে ভাসিয়ে দেয় বিস্তীর্ণ এলাকা। সুতরাং পরিস্থিতির জন্য নেপালই দায়ী। বলরামপুর জেলায় প্রতি ঘণ্টায় রাপ্তি নদীর জল দুই সেন্টিমিটার করে বেড়ে যাচ্ছে। লালিয়া-বলরামপুর ও লালিয়া-মহারাজগঞ্জ সড়কের ওপর তিন ফুট জল জমে যাওয়ায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এখনও যাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি, তাদের জন্য হেলিকপ্টার থেকে শুকনো খাবার ও পানীয় জলের পাউচ ফেলছে সেনাবাহিনী।
এদিকে, উত্তরাখণ্ডেও পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বন্যা ও ভূমিধসে এখনও পর্যন্ত ২৪টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পউরি, দেরাদুন, তেহরি এবং নৈনিতাল জেলার অবস্থা খুব খারাপ। জায়গায় জায়গায় ধস নেমে রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আটকে পড়েছেন পর্যটকরা। দুর্গত পর্যটকদের উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করেছে সেনাবাহিনী।












Click it and Unblock the Notifications