ভারতের ইতিহাসে চিরকালীন দাগ হয়ে থেকে যাবে স্ট্যান স্বামীর মৃত্যু, ফের ক্ষোভ প্রকাশ রাষ্ট্রপুঞ্জের
স্ট্যান স্বামীর মৃত্যুতে ইতিমধ্যেই দেশের বাইরে বিদেশেও ছড়িয়েছে প্রতিবাদের আঁচ। কারাবন্দি অবস্থায় এই প্রবাদপ্রতিম মানবাধিকার কর্মীর মৃত্যুকে 'রাষ্ট্রীয় হত্যা’ বলেও তোপ দেগেছেন বিদ্বজনেরা। প্রতিবাদে সরব হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশনও। এবার স্বামীর মৃত্যুতে ফের নতুন করে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন রাষ্ট্রপুঞ্জের এক অভিজ্ঞ মানবাবাধিকার বিশেষজ্ঞ।

পাশাপাশি ভারতের জনজাতি আন্দোলনের অন্যতম প্রধান এই মুখের মৃত্যু ভারতের ইতিহাসেও এক দাগ হয়ে থেকে যাবে বলে তাঁর মত। বৃহঃষ্পতিবার এই মর্মে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশনের স্পেশাল ব়্যাপর্টর মেরি লোলার। এই ব়্যাপর্টরদের কাজ মূলত কোনো সভা বা সমিতির কার্যবিবরণ তৈরি করে উচ্চতর সংস্থা বা সাধারণ সভায় পেশ করা।
এই বিবৃতিতেই ভারত সরকারের বিরুদ্ধেও একগুচ্ছ ক্ষোভ উগড়ে দেন মেরি। এমনকী স্বামীর মৃত্যু থেকে সকল দেশের সরকারের শিক্ষা নেওয়া উচিত বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি। এই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়েই জেলবন্দি সমস্ত মানবাধিকার রক্ষাকারী তথা কর্মীদের মুক্তি দেওয়া উচিত বলে দাবি করেন তিনি। পাশাপশি পর্যাপ্ত আইনগত তথ্য ছাড়াই বলপূর্বক আটকে রাখা সমস্ত রাজনৈতিক বন্দিদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া উচিত বলে দাবি মেরির।
কার্যত চাঁচাছোলা ভাষাতেই ওই বিবৃতিতে মেরি লেখেন, "চার দশকেরও বেশি সময় ধরে মানবাধিকারের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন তিনি। সামাজিক ন্যায়বিচারের পক্ষে আইনি লড়াই করে গিয়েছেন। কিন্তু তাঁর মৃত্যুই ভারতের মানবাধিকারের ইতিহাসে এক চিরকালীন দাগ হয়ে থেকে যাবে।" এখানেই না থেমে মেরি আরও বলেন "কোনও মানবাধিকার কর্মীকে সন্ত্রাসী হিসাবে দেগে দেওয়ার কোনও অজুহাত নেই। কিন্তু স্বামীকে যেভাবে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলায় আটকে রাখা হয়েছিল, যেভাবে তার মানবাধিকারই প্রশ্নের মুখে পড়েছিল তা চিন্তার বিষয়। "












Click it and Unblock the Notifications