অ-বিজেপি শাসিত একাধিক রাজ্যে ভ্যাকসিনের আকাল! করোনা ঝড়ের মাঝেই টানাপোড়েন চরমে
করোনার দ্বিতীয় ঢেউতে জর্জরিত দেশ। মহারাষ্ট্র, ছত্তিশগড় সহ একাধিক রাজ্যে ক্রমেই ফের সংক্রমণ বাড়ছে। এই আবহে টিটাকরণ নিয়ে তৎপর হতে রাজ্যগুলিকে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। টিকা নেওয়ার ক্ষেত্রে সবা যোগ্য ব্যক্তিকে টিকা নেওয়ার আবেদনও করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। তবে এরই মধ্যে করোনা টিকা নিয়ে আকাল দেখা দিয়েছে মহারাষ্ট্র, ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশের মতো অ-বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি।

মহারাষ্ট্রকে নিশানা হর্ষ বর্ধনের
এদিকে করোনার ভ্যাকসিনের অভাবের অভিযোগে মহারাষ্ট্র সরকারকে নিশানা করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন৷ অভিযোগ করলেন, কয়েকটি রাজ্য় সরকার করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে ব্যর্থ৷ আর নিজেদের সেই ব্যর্থতা ঢাকতেই নোংরা প্রচেষ্টা চালাচ্ছে রাজ্যগুলি৷ আর মানুষের মধ্যে এ নিয়ে ভয়ের সঞ্চার হচ্ছে৷

'ভ্যাকসিনের স্টক শেষ'
বিষয়টিকে 'দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ' বলে সমালোচনা করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী৷ মহারাষ্ট্র সরকার দায়িত্ব নিয়ে একক ভাবে করোনার বিরুদ্ধে চলা লড়াইয়ে গোটা দেশের মনোবল ভেঙে দিতে চাইছে বলে অভিযোগ করলেন তিনি৷ প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ তোপে বুধবার সকালে এক বিবৃতিতে জানান, সে রাজ্যে আগামী তিন দিনের মধ্যে করোনার ভ্যাকসিনের স্টক শেষ হয়ে যাবে৷ তাই কেন্দ্রের কাছে তিনি দ্রুত করোনার ভ্যাকসিন পাঠাতে আর্জি জানান৷

'দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ'
সেই সঙ্গে রাজেশ তোপ এই আশঙ্কাও ব্যক্ত করেন যে, যদি ভ্যাকসিন না আসে তবে, মুম্বইয়ের মতো শহরে একাধিক ভ্যাকসিনেশন সেন্টার বন্ধ করে দিতে হবে এবং ভ্যাকসিন নিতে আসা লোকজনকে ফিরে যেতে হবে৷ আর এই আশঙ্কা ব্যক্ত করার ভঙ্গিমাকে 'দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ' বলে সমালোচনা করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী৷

মহারাষ্ট্রের ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা
সেই সঙ্গে মহারাষ্ট্র সরকারকে কড়া ভাষায় জবাব দিয়ে হর্ষ বর্ধন বলেন, 'আমি এবার মুখ খুলতে বাধ্য হচ্ছি৷ কারণ আমার নীরবতাকে দুর্বলতা ভেবে নেওয়া ঠিক নয়৷ রাজনীতি করাটা খুব সহজ৷ কিন্তু, পরিষেবা এবং স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নয়ন করাটাই আসল পরীক্ষা৷' আর মহারাষ্ট্র সরকারের আজকের বিবৃতি, তাদের ব্যর্থতাকে ঢাকার একটা প্রচেষ্টা মাত্র বলে এদিন জবাব দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন৷












Click it and Unblock the Notifications