ফের ঊর্ধ্বমুখী করোনা গ্রাফ! চিন্তা বাড়িয়ে ১৫ হাজারের গণ্ডি পার মহারাষ্ট্রে
ক্রমেই বাড়ছে দেশের দৈনিক করোনা সংক্রমণ। আর মহারাষ্ট্র নিয়েই চিন্তার ভাঁজ সব বিশেষজ্ঞের কপালে। এদিন নতুন করে ১৫ হাজার জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন মহারাষ্ট্রে। শুধু মুম্বইতেই আক্রান্তের সংখ্যা ১৫০০।

নাগপুরে আবারও জারি করা হচ্ছে লকডাউন৷ আপাতত এক সপ্তাহের জন্য তালাবন্ধ থাকবে মহারাষ্ট্রের এই শহর৷ যা কার্যকর থাকবে ১৫ মার্চ থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত৷ করোনার সংক্রমণে রাশ টানতেই এই পদক্ষেপ উদ্ধব ঠাকরে সরকারের৷ তবে ফল-সবজির দোকান, দুধের মতো অত্য়াবশ্য়কীয় পণ্য ও পরিষেবাগুলিকে লকডাউনের আওতার বাইরে রাখা হচ্ছে৷ মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা, কোভিডের বাড়বাড়ন্ত সামলানো না গেলে আগামী দিনে মহারাষ্ট্রের অন্যান্য় অংশেও আঞ্চলিক লকডাউন জারি করা হতে পারে৷
গত প্রায় একমাস ধরে মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন অঞ্চলে নতুন করে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে৷ যার জেরে আগেই সরকারের তরফে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল, প্রয়োজনে ফের অঞ্চলভিত্তিক লকডাউন করা হতে পারে৷ শেষ পর্যন্ত সেই আশঙ্কাই সত্যি হল৷
এদিকে আর এসবের জেরেই ফের একবার আমজীবনের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করতে হচ্ছে রাজ্য সরকার ও প্রশাসনকে৷ সম্প্রতি বেশ কয়েকটি জেলায় জারি হয়েছে নাইট কার্ফু৷ স্কুল, কলেজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে৷ গত ১ মার্চ থেকে কঠোরভাবে কারফিউ জারি করা হয়েছে পূর্ব মহারাষ্ট্রের হিঙ্গোলিতে৷ উল্লেখ্য় এর একদিন আগেই এই জেলায় নতুন কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৫১৷ আগামী ১৭ মার্চ পর্যন্ত হিঙ্গোলিতে কার্ফু কার্যকর থাকবে৷ অন্যদিকে, পুণেতে কারফিউ বহাল থাকবে আগামী ১৪ মার্চ পর্যন্ত৷
বর্তমানে গোটা দেশের নিরিখে মহারাষ্ট্রের কোভিড পরিস্থিতিই সবথেকে খারাপ৷ দৈনিক নতুন আক্রান্তের সংখ্যার দিক দিয়ে এই রাজ্যের স্থান সবার উপরে৷ এর আগে পর্যন্ত সর্বোচ্চ দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ১৩ হাজার ৬৫৯৷ যা গোটা দেশের প্রেক্ষিতে প্রায় ৬০ শতাংশ৷ এই পরিস্থিতিতে প্রয়োজন মাফিক রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে লকডাউন করার কথা ভাবছে রাজ্য় প্রশাসন৷ এবিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে স্থানীয় প্রশাসনকে৷












Click it and Unblock the Notifications