১২ ঘণ্টায় তিনটি জঙ্গি হামলা, কাশ্মীরে নিহত ১৭

Mohara (Uri,J&K): Militant attack at 31 field regiment army camp pic.twitter.com/pk72oQqivW
— ANI (@ANI_news) December 5, 2014 প্রথম ঘটনাটি ঘটে বারামুল্লা জেলার উরি তহশিলের মোহরা গ্রামে। তখন রাত তিনটে। হঠাৎ মোহরা সেনাশিবিরের সামনে গুলির শব্দ। হকচকিয়ে যান রক্ষীরা। প্রাথমিক বিহ্বলতা কাটিয়ে শুরু হয় পাল্টা আক্রমণ। গোলাগুলির শব্দে ছুটে আসে পুলিশও। পুলিশ ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে লড়াই শুরু করে জঙ্গিদের সঙ্গে। ঠিক কতজন জঙ্গি হামলা চালিয়েছে, তা বোঝা যায়নি রাতের অন্ধকারে। দীর্ঘ আট ঘণ্টা গুলির লড়াই চলে। পাঁচজন জঙ্গি মারা যায়। অন্যদিকে, তিনজন পুলিশকর্মী ও আটজন সেনাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজি) এ জি মির বলেন, আশপাশে আরও জঙ্গি লুকিয়ে আছে কি না, তা খুঁজে দেখা হচ্ছে। কড়া পাহারা থাকা সত্ত্বেও সেনাশিবিরের ভিতরে কীভাবে গুলি-বোমা নিয়ে জঙ্গিরা ঢুকে পড়ল, তা নিয়ে বিস্মিত তিনি।
আরও পড়ুন: কাশ্মীর স্বাধীন হবে, ভূস্বর্গে সংঘর্ষের সময়ই ফের হাফিজ সঈদের হুঙ্কার
কাশ্মীরে বারামুল্লা জেলা জঙ্গিদের আঁতুরঘর হিসাবে পরিচিত। শ্রীনগর থেকে পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের মুজফফরাবাদ পর্যন্ত যে বাস যায়, তা এই বারামুল্লা জেলার ওপর দিয়েই যায়। দু'দেশের বাণিজ্যও চলে এই পথে। তাই এখানে অতিরিক্ত কড়াকড়ি। তা সত্ত্বেও হামলা চালাল জঙ্গিরা।
দ্বিতীয় হামলার ঘটনাটি ঘটে দুপুর দেড়টা নাগাদ খোদ শ্রীনগরে। এখানে পুলিশের একটি চেকপোস্ট লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। শুরু হয় গুলির লড়াই। এক জঙ্গি মারা যায়। এই ঘটনায় পাকিস্তানের মদতপুষ্ট লস্কর-ই-তৈবা জড়িত বলে খবর।
তৃতীয় হামলাটি ঘটে এ দিন দুপুরে সোফিয়ানে। থানার দরজা লক্ষ্য করে গ্রেনেড ছোড়ে জঙ্গিরা। পুলিশকর্মীরা প্রতিরোধ গড়ে তোলে। খবর দেওয়া হয় নিকটবর্তী সেনাশিবিরে। দীর্ঘ লড়াই হয় দু'পক্ষে।












Click it and Unblock the Notifications