রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাত 'ঝাড়খণ্ড টাইগারে'র! ফের ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পথে হেমন্ত সোরেন
আপাতত জেল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। গত মার্চে ইডি তাঁকে আটক করে। গ্রেফতার হওয়ার আগে তিনি রাজভবনে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পদে ইস্তফা দেন। এই মুহূর্তে জেল-মুক্তির ফলে তাঁর মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পথে আর কোনও বাধা নেই।
হেমন্ত সোরেন ইতিমধ্যেই বিধায়কদলের নেতা নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে রাজ্যের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনুমান খুব শিগগির মুখ্যমন্ত্রী চম্পাই সোরেন রাজ্যপালের কাছে ইস্তফাপত্র জমা দিতে পারেন। তারপরেই রাজ্যপালের কাছে সরকার গঠনের দাবি পেশ করবে ঝাড়খণ্ডের ইন্ডিয়া ব্লক।

এদিন চম্পাই সোরেনের বাসভবনে গিয়ে তাঁর সঙ্গে বৈঠক করেন ঝাড়খণ্ডে কংগ্রেসের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা গুলাম আহমেদ মীর এবং ঝাড়খণ্ড প্রদেশ কংগ্রেসের প্রধান রাজেশ ঠাকুর। মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন থেকে বের হওয়ার সময় কংগ্রেস বিধায়ক ইরফান আনসারি বলেন, হেমন্ত সোরেন ঝাড়খণ্ডের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন।
মুখ্যমন্ত্রী চম্পাই সোরেনের রাঁচির বাসভবনে ঝাড়খণ্ডের মহাজোটের বিধায়কদের একটি বৈঠক হয়। সেখানে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী চম্পাই সোরেন ছাড়াও জেএমএমস আরজেডি এবং কংগ্রেসের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে ছিলেন ইন্ডিয়া ব্লকের বিধায়করাও। বুধবার চম্পাই সোরেন তাঁর সব গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি হঠার বাতিল করেন।
রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাত বুধবারেই
ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল সিপি রাধাকৃষ্ণন এদিন সন্ধেয় রাঁচিতে পৌঁছবেন। তারপর সন্ধে ৭.২০ নাগাদ রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করবেন চম্পাই সোরেন এবং হেমন্ত সোরেন। চম্পাই সোরেন পদত্যাগ করবেন এবং হেমন্ত সোরেন সরকার গঠনের দাবি পেশ করবেন। যে কারণে সমর্থনকারী বিধায়কদের স্বাক্ষরও নেওয়া হয়ে গিয়েছে।
গত ৩১ মার্চ গ্রেফতার
প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ্য, গত ৩১ মার্চ ইডি হেমন্ত সোরেনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের আগে রাজভবনে গিয়ে পদত্যাগপত্র পেশ করেন হেমন্ত সোরেন। হেমন্ত সোরেনের গ্রেফতারির পরে তাঁর স্ত্রী কল্পনা সোরেনের নাম মুখ্যমন্ত্রীর পদে আলোচনায় এসেছিল। যদি অভিজ্ঞতার প্রেক্ষিতে জেএএমের তরফে 'ঝাড়খণ্ড টাইগার' চম্পাই সোরেনকে মুখ্যমন্ত্রী পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
আপাতত জেল-মুক্তি হেমন্তের
গত ২৮ জুন ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টের আদেশে জামিন পান হেমন্ত সোরেন। সেই দিনই তিনি জেল থেকে মুক্তি পান। এখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর পদে তাঁর ফেরা সময়ের অপেক্ষা, বলছেন সেখানকার রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
২০১৯-এর মুখ্যমন্ত্রী হন হেমন্ত
২০১৯-এর বিধানসভা নির্বাচনের পরে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হন হেমন্ত সোরেন। জেএমএম, কংগ্রেস ও আরজেডি নেতৃত্বাধীন জোট সরকার তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত করেছিল। ২০১৯-এর নির্বাচনে হেমন্ত সোরেন বারহেত ও দুমকা, দুটি আসনে জয়ী হয়েছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications