আফগানিস্তানের দখল তালিবানদের হাতে যেতেই নাকি পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়ছে! আজব দাবি বিজেপি বিধায়কের
গত কয়েকমাসে তেলের দাম চড়চড় করে বেড়েছে। কিছুদিন আগেই ১০০ টাকা পার করেছে প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম। গত কয়েকদিন ধরে দাম একই থাকলেও দাম কমার কোন সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। এই ইস্যুতে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের দিকে বারবার আ
গত কয়েকমাসে তেলের দাম চড়চড় করে বেড়েছে। কিছুদিন আগেই ১০০ টাকা পার করেছে প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম। গত কয়েকদিন ধরে দাম একই থাকলেও দাম কমার কোন সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। এই ইস্যুতে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের দিকে বারবার আঙুল তুলেছে বিরোধীরা।

আর এই তেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে বসলেন এক বিজেপি নেতা। তেলের দাম বাড়ছে কেন, এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি দায় ঠেললেন তালিবানের দিকে। কর্নাটকের বিজেপি নেতা অরবিন্দ বালাডের দিকে। তাঁর দাবি তালিবানের জন্যই নাকি বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম।
পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেদিন থেকে তালিবান একটু একটু করে আফগানিস্তানে দখল নিতে শুরু করেছে তারপর থেকে গোটা বিশ্বে তেলের অভাব দেখা দিয়েছে আর তার জেরেই বিশ্বজুড়ে এভাবে তেলের মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে।
গোটা বিশ্বে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলেই একে একে ডিজেল-পেট্রোল বা রান্নার গ্যাসের দাম বেড়েছে বলে দাবি করেছেন কর্নাটকের ওই বিজেপি নেতা। এটা ঠিক যে আফগানিস্তানের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিল। আফগানিস্তান তালিবানের দখলে চলে যাওয়ার পর সেই বাণিজ্য বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বিপুল টাকার আমদানি-রপ্তানি বন্ধ হয়ে গিয়েছে ঠিকই, তবে তুই দুই দেশের মধ্যে তেলের কোন আদান-প্রদান হতো বলে জানা যায়নি।
ভারত থেকে আফগানিস্তানে অনেক জিনিস রপ্তানি করা হতো এবং আফগানিস্তান ভারত থেকে বহু জিনিস আমদানি করত তবে জ্বালানি তেল দুই দেশের মধ্যে আদান-প্রদান হয়েছে বলে জানা যায় না। মূলত সৌদি আরব আরব আমিরশাহী ও ইরাক থেকে তেল আমদানি করে ভারত।
বিশ্বের তেল আমদানি কারী দেশগুলির মধ্যে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। চীন এবং আমেরিকার পরেই সবথেকে বেশি তেল কেনে ভারত। আমেরিকা নাইজেরিয়া ও কানাডা থেকেও কিছু তেল আমদানি করে ভারত। তবে তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে আফগানিস্তানের যে কোনো সম্পর্ক থাকতে পারে এমন কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়না। উল্লেখ্য ক্রমশ বাড়ছে তেলের দাম।
পেট্রল এবং ডিজেল দুটি ক্ষেত্রেই দামের গ্রাফ উপরের দিকে। ইতিমধ্যে পেট্রোলের ক্ষেত্রে ছাড়িয়ে গিয়েছে ১০০ টাকা। যদিও স্বস্তির খবর দীর্ঘ কয়েকদিন কেটে গেলেও নতুন করে দাম বৃদ্ধি হয়নি জ্বালানির। তবে কিছুটা হলেও কমেছে। কিন্তু তাতেও আমআদমি স্বস্তি পাচ্ছে এমনটা নয়।
জ্বালানি থেকে গ্যাস এভাবে দাম বাড়তে থাকায় স্বভাবতই চাপে মানুষ। বাড়ছে ক্ষোভ। আর এর মধ্যে বিধায়কের এহেন আদ্ভুদ দাবি ঘিরে ক্রমশ তৈরি হচ্ছে জটিলতা।












Click it and Unblock the Notifications