কোটি কোটি টাকার স্যানিটাইজার ব্যবহার করেও কেন মিলছে না সুফল? বায়ুপথেই হানা দিচ্ছে মারণ করোনা?
কোটি কোটি টাকার স্যানিটাইজার ব্যবহার করেও কেন মিলছে না সুফল? বায়ুপথেই হানা দিচ্ছে মারণ করোনা?
প্রথম সংক্রমণের পর এক বছরেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত হয়ে গেলে আজও দেখা নেই কোনও কার্যকরী ভ্যাকসিনের। এদিকে লকডাউন পরবর্তী সময়ে আনলকের রাস্তায় হেঁটেছে বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশই। স্যানিটাইজেশন, জীবাণনাশকের ব্যবহারের মাধ্যমে পরিশুদ্ধ হয়ে আবার পুরোদমে কাজ শুরু হয়েছে কোর্ট-কাছারি, অফিস আদালতের কাজ। কিন্তু বায়ুবাহিত করোনাকে ঠেকাতে কতটা কার্যকরী হচ্ছে এই উপায় ?

ব্যয় হচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকার স্যানিটাইজার
সাধারণ হাঁচি-কাশি বা শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যেই এক মানবদেহ থেকে অন্য মাবনদেহে সঞ্চারিত হয় করোনা। অন্যদিকে বিশেষজ্ঞরা বারবার বলেছেন প্লাসটিক, কাঠ বা লৌহপৃষ্ঠের উপর দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না মারণ করোনা। কিন্তু তারপরেও হংকং হোক বা নিউইয়র্ক, দিল্লি হোক বা প্যারিস সর্বত্র হোটেল, রেস্তোরাঁ, এয়ারপোর্ট সহ বিভিন্ন জনবহুল এলাকায় শুধুমাত্র বসার জায়গা, সিঁড়ি, এলিভেটর সহ একাধিক নিত্য ব্যবহার্য জিনিস পরিষ্কার করতেই খরচ হচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকার স্যানিটাইজার।

চারপাশের পরিবেশকে পরিষ্কার পরিচ্ছন রাখতেই বেশি উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ
অন্যদিকে করোনাকালে ভারতের পাশাপাশি গোটা দেশেই বিভিন্ন জীবানুনাশকের বিক্রি আগের থেকে বহুগুণ বেড়ে গেছে। আর এই ক্ষেত্রে এর সিংহভাগই খরচ করছে একাধিক সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে। করোনা যুদ্ধে জিততে আমাদের চারপাশকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন রাখতেই প্রত্যেকের মধ্যেই কমবেশি এই উদ্বেগ চোখে পড়ছে। কিন্তু তারপরেও কী ঠেকানো যাচ্ছে করোনা প্রকোপ?

সঠিক করোনা বিধি পালনের মাধ্যমেই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকানো সম্ভব
কিন্তু নিজেকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা ও সঠিক বিধি অনুসরণের মাধ্যমেই করোনা যুদ্ধে জয়লাভ সম্ভব বলে শুরু থেকেই বলে আসছেন বিশেষজ্ঞরা। বাড়ির বাইরে বেরলো সর্বক্ষম মাস্কের ব্যবহার, ঘনঘন সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, বা সাবা না থাকলে স্যানিটাইজারের ব্যবহারেই করোনাকে দূরে রাখা সম্ভব। কিন্তু অনেকেই বলছেন করোনা ক্লান্তি ক্রমেই গ্রাস করছে সাধারণ মানুষকে। ফলে নির্দিষ্ট ভাবে করোনা বিধি মানার থেকে প্রয়োজনে বেশি অর্থ ব্যয় করে হলে পরিষ্কার পরিচ্ছন পরিবেশ বেছে নিচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

৫ কোটি ৬৭ লক্ষের গণ্ডি পার করেছে গোটা বিশ্বে মোট আক্রান্তের সংখ্যা
আর এর ফলে সংক্রমণের সম্ভাবনা খানিক কমলেও আদপে বিশেষ কোনও লাভ হচ্ছে না বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের। অন্যদিকে এই মূহূর্তে গোটা বিশ্বে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫ কোটি ৬৭ লক্ষের গণ্ডি। মারা গিয়েছেন ১৩ লক্ষ ৫৭ হাজারের বেশি মানুষ। অন্যদিকে করোনা তালিকায় ১ কোটি ১৮ লক্ষ সংক্রামিত নিয়ে এখনও শীর্ষ স্থানে আমেরিকা। পাশাপাশি ৯০ লক্ষের কাছাকাছি আক্রান্ত নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত।












Click it and Unblock the Notifications