সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ড ‘বচপন কা প্যায়ার’–এর একরত্তি বালককে সংবর্ধনা ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রীর
সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ড ‘বচপন কা প্যায়ার’–এর একরত্তি বালককে সংবর্ধনা
আপনি যদি সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাক্টিভ হন তবে নিশ্চয়ই এতদিনে একাধিক ইনস্টাগ্রাম রিলে এই একরত্তি বালকের 'বচপন কা প্যায়ার’ গানটি শুনেছেন। গলা ছেড়ে গান গাওয়ার ২৫ সেকেন্ডের সেই ভিডিওতেই রাতারাতি তারকা বনে গিয়েছে ছত্তিশগড়ের সহদেব ডিরডো। এই গান এখন সকলের ঠোঁটে ঠোঁটে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সহদেবের এই গান এখন ইন্টারনেট সেনশসন। এই গান গেয়েই লাইমলাইটে এসেছেন সহদেব, এখন তো ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রীও তাঁর ফ্যান!

সহদেবকে সংবর্ধনা মুখ্যমন্ত্রীর
মঙ্গলবার খুদে এই তারকাকে ডেকে তাঁর গলায় ফুলের মালা পরিয়ে সংবর্ধনা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল। তিনি ছেলেটির গলায় 'বচপন কা প্যায়ার' গানের প্রশংসাও করেছেন। এদিন মুখ্যমন্ত্রী টুইটারে একটি ছোট ভিডিও শেয়ার করেন, যেখানে তাঁকে সহদেব ডিরডোর সঙ্গে দেখা গিয়েছে। ইন্টারনেটে এই গানের সাফল্যের জন্য মুখ্যমন্ত্রী তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং তাকে ওই গানটি মুখ্যমন্ত্রীর জন্য গাইতে বলেন। এর আগেও মুখ্যমন্ত্রী একটি খবরের অংশ শেয়ার করে সহদেবের প্রশংসায় টুইটারে লেখেন, 'সহদেব ছত্তিশগড় সহ গোটা দেশ থেকে অনেক ভালোবাসা পাচ্ছে। আমার শুভ কামনা পাঠালাম তার কাছে।'

রাতারাতি তারকা
মাওবাদী অধ্যুষিত ছত্তিশগড়ের সুকমার বাসিন্দা এই সহদেব স্কুলের পোশাক পরেই গলা ছেড়ে 'বচপন কা প্যায়ার' গানটি গাইতে দেখা যায় তাকে। তবে সহদেবের গলায় তা হয়ে যায় 'বশপন কা প্যায়ার'। খুব বেশি দেরি লাগেনি সোশ্যাল মিডিয়ায় গানটি ভাইরাল হতে। গোটা জুলাই মাস জুড়ে নেট দুনিয়ায় এই গান বিভিন্নভাবে লোকের মুখে মুখে ঘুরতে থাকে। তবে সবচেয়ে বেশি রিলে এই গানের ব্যবহার দেখা যায়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ড
টলিউড হোক বা বলিউড অথবা হিন্দি-বাংলা টেলিভিশন ইন্ড্রাস্ট্রি, সব তারকাদের রিল করার প্রথম পছন্দই এই গানটি। র্যাপার বাদশা এই গানে তাঁর কিছু মজাদার টুইস্ট যোগ করে এই রিমিক্স ভার্সান পোস্ট করেন ইনস্টাগ্রামে। মুম্বই পুলিসও সাইবার সুরক্ষা নিয়ে সচেতনতা গড়তে এই গানটি ব্যবহার করে মজার পোস্ট করেন। বাদশা সহদেবকে তাঁর সঙ্গে ডুয়েট গান গাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। বুধবার সকাল পর্যন্ত ৫০ লক্ষের বেশি মানুষ ভিডিওটি 'লাইক' করেছেন। ১ কোটির বেশি বার সেটি দেখা হয়েছে।

স্কুলে গান গায় সহদেব
ছত্তিশগড়ের সুকমা জেলার বাসিন্দা সহদেব তার স্কুলের শিক্ষকের অনুরোধে তাঁর সামনেই এই গানটি গায়। ওই শিক্ষক গানটি রেকর্ড করেন এবং তা অনলাইনে শেয়ার করে দেওয়ার পরই তা এত বড় কাণ্ড হয়ে দাঁড়ায়।

প্রকৃত গান
এই গানটি আসলে ২০১৮ সালে মুক্তি পায়। 'বচপন কা প্যায়ার' গানটি আসলে গুজরাতি গায়ক কমলেশ বরৌটের গাওয়া।












Click it and Unblock the Notifications