ভারতীয় যুবকদের মগজ ধোলাই ISIS-এর! মালদ্বীপ-যোগ প্রকাশ করল দিল্লি পুলিশের হাতে ধৃত শাহনওয়াজ

বছরের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর লাক্ষাদ্বীপ সফরের ছবি প্রকাশ করতেই মালদ্বীপের তিন মন্ত্রী অবমাননাকর মন্তব্য করেন। তার পর জল গড়িয়েছে বিস্তর। এবার ভারতে জঙ্গি সংগঠন আইসআইএসের বিস্তারে এবার মালদ্বীপ-যোগ উঠে এসেছে। দিল্লি পুলিশের হেফাজতে থাকা আইএস জঙ্গি শাহনওয়াজ আলমকে জিজ্ঞাসাবাদের পরে তদন্তকারী সংস্থাগুলি মালদ্বীপের এক সন্দেহভাজন মহিলাকে খুঁজছে।

গত বছরের ২ অক্টোবর দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল দিল্লি থেকে শাহনওয়াজ আলমকে গ্রেফতার করে। ভারতে থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ ছিল পাকিস্তানে থাকা বস আবু সুলেমানের। এছাড়াও মালদ্বীপের এক মহিলার সঙ্গে যোগযোগ ছিল শাহনওয়াজের। সেই মহিলাই মাইনিং ইঞ্জিনিয়ার শাহনওয়াজের মগজ ধোলাই করেছিলেন।

Delhi Police

দিল্লি পুলিশের হেফাজতে থাকা শাহনওয়াজকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, মালদ্বীপের ওই মহিলার মাধ্যমে সিরিয়ার আল হাওয়াল ক্যাম্পে অর্থ পাঠানোর কাজ চলে। প্রসঙ্গত ওই ক্যাম্পটি আইএস জঙ্গিদের সব থেকে বড় ঘাঁটি। আইএস জঙ্গিচদের পরিবারও ওই ক্যাম্পে থাকে। শাহনাওয়াজ জানিয়েছে, কেরলের এক শিক্ষককে মাধ্যম করে গুগল মে-র মাধ্যমে সিরিয়ার শিবিরে একলক্ষ চল্লিশ হাজার টাকা পাঠিয়েছিল।

শাহনওয়াজকে ধরার পরে মালদ্বীপের মহিলার মাধ্যমে সিরিয়ার যোগাযোগের কথা জানতে পেরেছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। এর থেকে পরিষ্কার আইএস তাদের মহিলা বাহিনীর মাধ্যমে ভারতীয় যুবকদের মগজ ধোলাই করছে। পাশাপাশি আইএস ভারতে সন্ত্রাস ছড়াতে মহিলাদের ব্যবহার করতে শুরু করেছে।

এর আগে জিজ্ঞাসাবাদে দিল্লি পুলিশের হাতে ধৃত শাহনওয়াজ আলম জানিয়েছিল, গুজরাটের অনেক শহর আইএসআইএসের লক্ষ্যবস্তু ছিল। সে আরও জানিয়েছিল হ্যান্ডলার আবু সুলেমানের নির্দেশে আহমেদাবাদ, ভদোদরা ও সুরাতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল দু'জনকে। নরেন্দ্র মোদীর হোম স্টেট হওয়ার কারণে গুজরাত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। গোধরা দাঙ্গার প্রতিশোধ নিতেই এই হামলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল।

শাহনওয়াজ জানিয়েছিল, আইএস জঙ্গিরা ট্রেনে আহমেদাবাদে পৌঁছে গিয়েছিল। সেখানে দু'দিন ছিল তারা। প্রথম দিন রেলস্টেশন, সিনেমা হল, বিশ্ববিদ্যালয়, ভিআইপি ও রাজনৈতিক নেতাদের রুট, সেতুর পাশাপাশি ভিড় বাজারগুলি রেইকি করে তারা। এছাড়া সবরমতি আশ্রম, বোহরা সম্প্রদায়ের মসজিদ-দরগা, আহমেদাবাদের মাজার-দরগার মতো জায়গাও তারা ঘুরে দেখেছিল।

আইএস জঙ্গিরা গান্ধীনগর ও ভদোদরাতেও যায়। গান্ঘীনগরে তারা আরএসএস অফিস, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের অফিস, হাইকোর্ট, জেলা আদালত, দায়রা আদালত, বিজেপি অফিরও ঘুরে দেখে। টার্গেট ছকে ফেলার উদ্দেশে সন্ত্রাসবাদীরা এইসব জায়গায় ছবিও তোলে। শহরে রেইকির কাজ করতে গিয়ে সন্ত্রাসবাদীরা একটি বাইক ভাড়া করেছিল। পরে সব ছবি ও তথ্য পাকিস্তানে থাকা হ্যান্ডলার আবু সুলেমানকে পাঠায়।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+