বিজেপি ক্ষমতায় আসলেই কর্নাটকের নীতি অনুসরণ! তেলেঙ্গানায় সংরক্ষণ নিয়ে বড় প্রতিশ্রুতি অমিত শাহের
দক্ষিণে কর্নাটকে গিয়ে থেমে গিয়েছে বিজেপির সম্প্রসারণ। তবে বাকি চার রাজ্যের মধ্যে তেলেঙ্গানায় সম্ভাবনা রয়েছে গেরুয়া শিবিরের। এমনটাই মনে করছে দেল শীর্ষ নেতৃত্ব। যে কারণে সেখানে কার্যত ভোটের প্রচার শুরু হয়েছে। হায়দরাবাদের কাছে চেভেলায় সেরকমই এক জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তেলেঙ্গানার কেসিআর সরকারকে নিশানা করলেন অমিত শাহ।
অমিত শাহ বলেন, বছরের শেষের দিকে তেলেঙ্গানায় হতে যাওয়া নির্বাচনে বিজেপি ক্ষমতায় এলে মুসলিমদের জন্য সংরক্ষণ বাতিল করা হবে। বিআরএস শাসিত তেলেঙ্গানায় এই ধরনের সংরক্ষণকে অসাংবিধানিক বলে অভিহিত করেছেন অমিত শাহ।

অমিত শাহ বলেছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মুসলিম সংরক্ষণের অবসান ঘটানো হবে। তবে দলিত, উপজাতি এবং অনগ্রসরদের জন্য সংবিধানে দেওয়ার অধিকারকে নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত মুখ্যমন্ত্রী কেসিআর তেলেঙ্গানায় মুসলিম সংরক্ষণ ৪ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১২ শতাংশ করেছেন।
প্রসঙ্গত এর আগে কর্নাটক সরকারও মুসলিমদের জন্য ৪ শতাংশ ওবিসি সংরক্ষণ বাতিল করে এবং তা লিঙ্কায়েত এবং ভোক্কালিগাগের মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার কথা জানায়। ১০ মের নির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি সরকারের পদক্ষেপ যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ। তবে এই সংরক্ষণ বাতিলের সিদ্ধান্তকে সুপ্রিম কোর্ট প্রাথমিকভাবে নড়বড়ে এবং ত্রুটিপূর্ণ বলে বর্ণনা করেছে।

হায়দরাবাদ থেকে প্রায় ৪৬ কিমি দূরে অবস্থিত চেভেলায় করা সমাবেশে অমিত শাহ কে চন্দ্রশেখর রাওকে কটাক্ষ করে বলেন প্রধানমন্ত্রীর পদ খালি নেই। তিনি ২০২৪-এও ক্ষমতা ধরে রাখবেন। প্রসঙ্গত কেসিআর দলের নাম তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতি থেকে ভারত রাষ্ট্রীয় সমিতি করার জেরেই এই প্রতিক্রিয়া অমিত শাহের।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে বলেছেন তেলেঙ্গানায় বিআরএসকে ক্ষমতাচ্যুত না করা পর্যন্ত বিজেপি সেখানে থামবে না। দলের নাম টিআরএস থেকে বিআরএস করাকে তিনি সরকারের দুর্নীতি থেকে মনোযোগ সরাতে কৌশল বলে বর্ণনা করেছেন তিনি।

অমিত শাহ বলেছেন, কেসিআর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পাশাপাশি ভারত সফরের স্বপ্নও দেখেন। কিন্তু তাঁকে প্রথমে নিজের রাজ্যের দিতে তাকাতে হবে, যেখানে দুর্নীতির শিকড় গভীরে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী বছরের সাধারণ নির্বাচনে বিজেপিকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিতে জনগণের কাছে আহ্বান জানান।
অমিত শাহ বলেন, তেলেঙ্গানা আগে বছরে ৩০ হাজার কোটি টাকা করে পেত। আর ২০২২-২৩-তে তেলেঙ্গানাকে একলক্ষ কুড়ি হাজার কোটি টাকা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তিনি অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাজ্যের জন্য অনেক টাকা পাঠালেও তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছয় না।












Click it and Unblock the Notifications