মণিপুরে হিংসায় মদতের অভিযোগ! ব্রিটেনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত অধ্যাপকের বিরুদ্ধে FIR, খালিস্তানি যোগের অভিযোগ
মণিপুরে জাতিগত হিংসা এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি। মাঝে মধ্যেই সেখান থেকে হিংসার খবর পাওয়া যায়। পাশাপাশি বেআইনি অস্ত্র হাতে যুবকদের সেখানে পাহারা দিতেও দেখা যায়। এইসবের পিছনে অর্থাৎ জাতিগত হিংসা মদতের অভিযোগ উঠেছে যুক্তরাজ্যের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবাসী অধ্যাপকের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ উদয় রেড্ডি নামে ওই অধ্যাপক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের টক শেসনের মাধ্যমে লোকেদের উসকানি দিচ্ছেন। মণিপুরের রাজধানী ইম্ফলে পুলিশের তরফে এমনই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, অভিযুক্তের সঙ্গে কানাডায় খালিস্তানিদের যোগ থাকতে পারে।

- স্থানীয় বাসিন্দাদের এফআইআর
স্থানীয় বাসিন্দাদের দায়ের করা এফআইআরে বলা হয়েছে, বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্সের অধ্যাপক উদয় রেড্ডি মণিপুরে বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা তৈরিতে অনলাইনে ষড়যন্ত্র করেছেন। আরও অভিযোগ, অভিযুক্ত ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে মেইতেইদের ধর্মীয় বিশ্বাসের অবমাননা করেছেন। এবং অন্য সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতার প্রচার করেছেন। এব্যাপারে অধ্যাপক উদয় রেড্ডির কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি।
পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযোগকারী বলেছেন, অধ্যাপত উদয় রেড্ডি অডিও আলোচনায় কীভাবে মণিপুরে আইন প্রয়োগকারীদের বিরুদ্ধে সমস্যা তৈরি করা যায়, সেই ব্যাপারে উসকানি দিয়েছেন। তবে উদয় রেড্ডির এক্স প্রোফাইলে গিয়ে দেখা গিয়েছে, তা ব্লক করা রয়েছে। এই ধরনের পদক্ষেপ সাধারণভাবে আদালতের আদেশ পাওয়া গেলেই নেওয়া যায়।
- দেশ বিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগ
এফআইআরে অভিযোগকারী বলেছএন, অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং তাঁর সহযোগীদের কার্যকলাপ দেশবিরোধীদের মতোই। যা ভারতের অখণ্ডতা এবং সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জ করে।
- থাকতে পারে খালিস্তানি যোগ
এফআইআরে আরও বলা হয়েছে, অভিযুক্তের সঙ্গে কানাডায় খালিস্তানি এবং মাদক পাচারকারীদের সঙ্গে যুক্ত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই কারণে অভিযুক্তের কল রেকর্ড এবং আর্থিক কার্যকলাপের তদন্ত করে দেখার আবেদন করা হয়েছে ওই এফআইআরে।
এর আগে বিদেস থেকে ভারতীয় বংশোদ্ভূত অধ্যাপক অশোক সাঁইয়ের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে ভারত সরকারের নীতির তীব্র সমালোচনার কারণে এক্স হ্যান্ডেল ব্লক করা হয়েছিল।
- ২০২৩-এর মে থেকে মণিপুরে হিংসা
উল্লেখ করা প্রয়োজন, ২০২৩-এর মে মাসের প্রায় শুরু থেকে মণিপুরে জাতিগত হিংসা চলছে। প্রথমে মেইতেই এবং কুকিদের মধ্যে হিংসা শুরু হয়। তারপর অন্য উপজাতি গোষ্ঠীগুলির মধ্যেও তা ছড়িয়ে পড়ে। ২০২৩-এর ডিসেম্বরে প্রধান বিচারপতি মণিপুরে বিভ্রান্তিমূলক প্রচার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications